ত্রিপুরা ফোকাস

বিনোদন

ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ডের খেতাব জিতলেন হরিয়ানার মানুসি ছিল্লার

মুম্বইয়ের যশরাজ স্টুডিওতে ৫৪তম ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ডের খেতাব জিতলেন হরিয়ানার মানুসি ছিল্লার। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের সানা দুয়া এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন বিহারের প্রিয়াঙ্কা কুমারী।

মানুসির জন্ম এক ডাক্তার পরিবারে। তাঁর পড়াশোনা প্রথমে দিল্লির সেন্ট থমাস স্কুলে এবং পড়ে সোনপতের ভগত ফুল সিং গভর্মেন্ট কলেজ অফ উওমেনে।দেশের ৩০ টি রাজ্যের সেরা সুন্দরীদের নিয়েই এবার হল প্রতিযোগিতা।

শেষ পর্বে সব প্রতিযোগীরাই মনীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা ভারতীয় পোশাক পরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২০১৬-র মিস ওয়ার্ল্ড, স্টেফানি ডেল ভেল, বলিউড তারকা অর্জুন রামপাল, বিপাশা বসু, বিদ্যুত্ জামাল, অভিষেক কাপুর, ইলিয়ানা ডিক্রুজ, দীপান্বিতা শর্মা থেকে নেহা ধুপিয়া।

ভাইজানের জাদু এবার একটু ফিকে পড়ে গেল

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ! ঈদে ভাইজানের ছবি দেখতে যাওয়াটা যদি উৎসবের একটা অঙ্গ হয়, তাহলে ‘টিউবলাইট’এর কাছ থেকে সেই প্রত্যাশা না রাখাই ভাল।জ্বল যা...জ্বল যা... করতে করতে যে সলমন খান একটা সামান্য কাচের বোতলে প্রাণসঞ্চার করতে পারেন, ইন্দো-চিন যুদ্ধ থামিয়ে দিতে পারেন, মায় পাহাড় সরিয়ে ভূমিকম্প পর্যন্ত ঘটিয়ে দিতে পারেন, সেটা বিশ্বাস করার দম থাকলে অবশ্য ছবিটা দেখতে যেতে পারেন। ভাইজানের প্রতি আপনার ভালবাসা যদি অবিশ্বাস্য সব ঘটনা দেখার ধৈর্যের চেয়েও বেশি হয়ে থাকে, তবেই এই সপ্তাহান্তে টিউবলাইট জ্বালানোর সাহস করবেন প্লিজ! কারণ, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। এই সার কথাটা সারা ছবি জুড়ে রূপকথার মতো বুঝিয়ে গেলেন কবীর খান। ইন্দো-চিন যুদ্ধের মতো প্রেক্ষাপটকে যথাযত গুরুত্ব দিয়ে ব্যবহার না করে। যে পরিচালক ‘কাবুল এক্সপ্রেস’ কিংবা ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ বানিয়েছেন, তাঁর কাছ থেকে অন্তত এমন ট্রিটমেন্ট আশা করা যায় না।

কুমায়ুন হিমালয়ের ছোট্ট, শান্ত, ঝঞ্ঝাটহীন গ্রাম জগৎপুর। একেবারে পাহাড়ঘেরা রূপকথার রাজ্য। গল্পটা শুরু হচ্ছে স্বাধীনতার আগে। দেশ স্বাধীন হওয়া, দেশভাগ, গাধীঁজির হত্যা সবকিছু চোখের সামনে দেখতে দেখতে বড় হয়ে উঠছে দুই ভাই। লক্ষ্মণ (সলমন খান) আর ভরত (সোহেল খান)।

Read more...

সাংহাই ইন্ট্যারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অ্যাওয়ার্ড জিতল সুলতান

সলমন খানের ভক্তদের জন্য সুখবর। সাংহাই ইন্ট্যারনাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বেস্ট অ্যাকশন ফিল্মের অ্যাওয়ার্ড পেল সলমন খানের সুলতান। শুধু তাই নয়। চলতি বছরের শেষের দিকেই চিনে রিলিজ করবে সলমন খান অনুষ্কা শর্মা অভিনীত সুলতান। এর আগে আমির খানের দঙ্গল চিনে দুর্দান্ত ব্যবসা করে সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছে। সুলতান টিম আশা করছে, তাঁদের ফিল্মও ভাল লাগবে চিনা দর্শকদের।সুলতান চিনে রিলিজ করার আগেই অবশ্য সে দেশে রিলিজ করতে চলেছে বছরের সবথেকে ব্লকবাস্টার মুভি বাহুবলী ২ । তবে, টিম সুলতান আশা করছে, সাংহাই ইন্ট্যারনাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অ্যাওয়ার্ড জেতার জন্য চিনে ভাল ব্যবসা করতে সুবিধা হবে সুলতানের। এখন দেখা যাক, চিনে ব্যবসার বিচারে আমির খানের দঙ্গলকে টেক্কা দিতে পারে কিনা সুলতান।

নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে অক্ষয়কে

স্ক্রিনে নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে বলিউডের সুপারস্টার অক্ষয় কুমারকে, এমনই জল্পনা চলছে ওয়েব দুনিয়ায়। ডিএনএ-তে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আগামী দিনে নরেন্দ্র মোদীর ওপর কোনও ফিল্ম তৈরি হলে সেই ছবিতে প্রধানমন্ত্রীর মোদীর ভূমিকায় দেখা যেতে পারে রজত ভাটিয়া ওরফে 'খিলাড়ি কুমার' অক্ষয়কেই। পরেশ রাওয়াল, অনুপম খের, ভিক্টর ব্যানার্জির মত কিংবদন্তি অভিনেতাদের পিছনে ফেলে দিয়ে অক্ষয়ই বেস্ট চয়েস, কারণ তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, এমনই মত বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বদের। ভারতীয় জনতা পার্টির এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, "অক্ষয় ইতিমধ্যেই নিজের যা পরিচিতি তৈরি করেছেন, সেটা বিচার করলে মোদীর ওপর যেকোনো ছবিতে অক্ষয়ের অভিনয় অনেকটাই ইতিবাচক এবং ফলপ্রসু হবে।" বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহাও মনে করেন, "অক্ষয় হল মিস্টার ক্লিন অব ইন্ডিয়া। ওর ভাবমূর্তি নতুন ভারতের সঙ্গে মানানসই"।

Read more...

ফাঁস ডায়নার ‘সুইসাইড টেপ’!

সে ছিল এক রূপকথার বিয়ে। গোটা গ্রহটা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল সেই বিয়ের দিকে। সাদা-কালো টিভিতে ভারতের মানুষ— শহরের ইন্টেলেকচুয়াল, গ্রামের কৃষক, মঠের সন্ন্যাসী, খোলার চালের বস্তিবাসী, বেপাড়ার পথ হারানো মেয়ে— সব্বাই হাঁ করে দেখেছিল সেই রূপকথা। বিয়ে যদি হয়, এমন ভাবেই যেন হয়— ভেবেছিল মফস্‌সলের শ্যামলা মেয়েটিও। ১৯৮১ সাল। পৃথিবীটা তখন অন্য রকম। গ্লোবালাইজেশনের নাম কেউ শোনেনি, সোভিয়েত ইউনিয়ন নামের একটা দেশ ছিল তখন, কমিউনিস্ট নামের এক মনুষ্য প্রজাতি নাকি ঘৃণা করতো পুঁজি নামের এক দানবকে। সেই সময়ে বিলেত নামের এক দেশের রাজপুত্তুরের সেই বিয়ে নতুন এক রূপকথা হয়ে দাঁড়ায় তৃতীয় বিশ্বের মানুষের কাছে।চার্লস আর ডায়না— এই দু’টি নাম ১৯৮০-র দশক থেকে প্রবাদে পরিণত। আদর্শ দাম্পত্যের উদাহরণ দিতে হলে কলকাতার রোয়াক আওয়াজ তুলত যুক্তরাজ্যের যুবরাজ ও যুবরানির নামে। চার্লস ও ডায়নার বিয়ের ছবি তখন শহরের আনাচে-কানাচে ভাইরাল।

Read more...

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.