ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

বিনোদন

নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে অক্ষয়কে

স্ক্রিনে নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে বলিউডের সুপারস্টার অক্ষয় কুমারকে, এমনই জল্পনা চলছে ওয়েব দুনিয়ায়। ডিএনএ-তে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আগামী দিনে নরেন্দ্র মোদীর ওপর কোনও ফিল্ম তৈরি হলে সেই ছবিতে প্রধানমন্ত্রীর মোদীর ভূমিকায় দেখা যেতে পারে রজত ভাটিয়া ওরফে 'খিলাড়ি কুমার' অক্ষয়কেই। পরেশ রাওয়াল, অনুপম খের, ভিক্টর ব্যানার্জির মত কিংবদন্তি অভিনেতাদের পিছনে ফেলে দিয়ে অক্ষয়ই বেস্ট চয়েস, কারণ তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, এমনই মত বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বদের। ভারতীয় জনতা পার্টির এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, "অক্ষয় ইতিমধ্যেই নিজের যা পরিচিতি তৈরি করেছেন, সেটা বিচার করলে মোদীর ওপর যেকোনো ছবিতে অক্ষয়ের অভিনয় অনেকটাই ইতিবাচক এবং ফলপ্রসু হবে।" বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহাও মনে করেন, "অক্ষয় হল মিস্টার ক্লিন অব ইন্ডিয়া। ওর ভাবমূর্তি নতুন ভারতের সঙ্গে মানানসই"।

Read more...

ফাঁস ডায়নার ‘সুইসাইড টেপ’!

সে ছিল এক রূপকথার বিয়ে। গোটা গ্রহটা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল সেই বিয়ের দিকে। সাদা-কালো টিভিতে ভারতের মানুষ— শহরের ইন্টেলেকচুয়াল, গ্রামের কৃষক, মঠের সন্ন্যাসী, খোলার চালের বস্তিবাসী, বেপাড়ার পথ হারানো মেয়ে— সব্বাই হাঁ করে দেখেছিল সেই রূপকথা। বিয়ে যদি হয়, এমন ভাবেই যেন হয়— ভেবেছিল মফস্‌সলের শ্যামলা মেয়েটিও। ১৯৮১ সাল। পৃথিবীটা তখন অন্য রকম। গ্লোবালাইজেশনের নাম কেউ শোনেনি, সোভিয়েত ইউনিয়ন নামের একটা দেশ ছিল তখন, কমিউনিস্ট নামের এক মনুষ্য প্রজাতি নাকি ঘৃণা করতো পুঁজি নামের এক দানবকে। সেই সময়ে বিলেত নামের এক দেশের রাজপুত্তুরের সেই বিয়ে নতুন এক রূপকথা হয়ে দাঁড়ায় তৃতীয় বিশ্বের মানুষের কাছে।চার্লস আর ডায়না— এই দু’টি নাম ১৯৮০-র দশক থেকে প্রবাদে পরিণত। আদর্শ দাম্পত্যের উদাহরণ দিতে হলে কলকাতার রোয়াক আওয়াজ তুলত যুক্তরাজ্যের যুবরাজ ও যুবরানির নামে। চার্লস ও ডায়নার বিয়ের ছবি তখন শহরের আনাচে-কানাচে ভাইরাল।

Read more...

‘ভূমি’-র সেটে আগুন

বিয়ের গানের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল সঞ্জয় দত্তের নতুন ছবি ভূমির সেটে। আর তখনও ঘটল বিপদ। হঠাত্‌ আগুন লেগে গেল সেটে। কোনওক্রমে বিপদ থেকে বেঁচেছেন অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারি। মুম্বইয়ের আর.কে স্টুডিওয়ে ভূমি ছবির একটি বিয়ের গানের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল। ৩০০-র ও বেশি ডান্সার উপস্থিত ছিলেন ওই সময়ে সেটে। তখনই ঘটে যায় বিপদ। তবে জায়া গিয়েছে, ঘটনায় কেউ আহত হননি। কারও কোনও ক্ষতি হয়নি। প্রসঙ্গত, ভূমি একটি আবেগপ্রবণ ছবি। যেখানে বাবা আর মেয়ের মধ্যে সম্পর্ককে প্রেক্ষাপট করে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে বাবার ভূমিকায় অভিনয় করছেন সঞ্জুবাবা এবং মেয়ের ভূমিকায় অদিতি রাও হায়দারি। ২২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি।

হাফ গার্লফ্রেন্ডের ১০ দিনে ৫০ কোটির ব্যবসা

১৯ মে মুক্তি পেয়েছে। ১০ দিনে ব্যবসা ছুঁয়েছে ৫০ কোটি। সেই উপলক্ষে সাকসেস পার্টি টিম হাফ গার্লফ্রেন্ডের। চেতন ভগতের লেখা গল্প নিয়ে হাফ গার্লফ্রেন্ড। এর আগেও  চেতনের লেখা নিয়ে যে কটি ছবি মুক্তি পেয়েছে সবকটি ভাল মতো সাফল্য পেয়েছে। সেদিক থেকে ভরসার জায়গা ছিল । তবে প্রায় এক মাস হতে চলল।বাহুবলী টুর ঝড়ের প্রভাব এখনও বলিউডে। আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না কোন ছবি। বাহুবলীর পাশাপাশি হাফ গার্লফ্রেন্ড ছবিকে চ্যালেঞ্চের মুখে পড়তে হয়েছে হিন্দি মিডিয়ামের জন্য।  তাই হাফ গার্লফ্রেন্ডের ব্যবসা ঘিরে টেনশনে ছিলেন চেতন ভগত। ছবির সাকসেস পার্টিতে এসে জানালেন চেতন। চাপে ভয়ে ছিলেন প্রযোজক একতা কাপুরও। তাঁর প্রযোজিত শেষ পাঁচটি ছবি পর পর ফ্লপ। ১০ দিনে ছবি হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেছে। তাই তরতাজা মেজাজে পার্টিতে অর্জুন, শ্রদ্ধা। পার্টিতে একে একে এলেন করণ জোহর, সুশান্ত সিং ,রাজকুমার রাও সহ বালাজি পরিবারের নিকট বন্ধুরা।

সচিন : আ বিলয়ন ড্রিমস

বক্সিংয়ে যদি কেউ সেরা হয়ে থাকেন, তিনি মহম্মদ আলি। বাস্কেটবলের কথা যদি বলেন, তাহলে সেই খেলার সেরা মাইকেল জর্ডন। আর ক্রিকেটে একটা লোকের কথাই বলতে হয়, তিনি সচিন। কথাগুলো বলেছিলেন ব্রায়ান লারা। কিন্তু ভারতবর্ষে তো ক্রিকেট মানে শুধুমাত্র একটা খেলা নয়। ক্রিকেট মানেই ভারতবর্ষ। আর যদি ক্রিকেট মানে ধর্ম হয়, তার ঈশ্বর সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। ‘সচিন’ মানে কি? সচিন মানে আঁকড়ে থাকা। সচিন একটা বিশ্বাস, যে ওই লোকটা আমাদের জিতিয়ে দেবে। ওই লোকটা আউট হয়ে গেলে আমরাও হেরে যাব। সচিন মানে আমি, আপনি, ওরা সকলে। যারা জিততে চায়। যারা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চির একটা লোকের উপর নিজেদের সবটুকু বিশ্বাস উজাড় করে দেয়।

Read more...

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.