নতুন শৃঙ্গজয়, জনপ্রিয়তার নতুন ধাপে ‘কিং’ কোহলি

তিনি এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেটের মুখ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে টসে জিতেও ফিল্ডিং নেওয়ার জন্য যতই সমালোচিত হোন নো কেন, মানুষের তাঁর উপর আকর্ষণ দিনে দিনে বাড়ছে। নতুন যে তথ্য সামনে এলো, তা থেকে আরও একবার সেটাই প্রমাণিত হল। ফেসবুক ফলোয়ারের সংখ্যায় সলমন খানকে টপকে গিয়ে ভারতীয় হিসেবে দু’নম্বর স্থানে উঠে এলেন ‘কিং’কোহলি। একে তো ব্যাট হাতে অতিমানবীয় পারফরম্যান্স। তার সঙ্গে রয়েছে বিপক্ষের চোখে চোখ রাখা, হাতে ট্যাটু আর দাড়ি-গোঁফের কম্বিনেশনে এক্কেবারে এই সময়ের তরুণদের মন জয় করে নেওয়া‘অ্যাটিটিউড’। সঙ্গে বাড়তি মশলা যোগ করেছে অবশ্যই বলিউড সুন্দরী অনুষ্কার সঙ্গে অ্যাফেয়ার। এই সবের সম্মিলিত আবেদনেই কোহলির জনপ্রিয়তার গ্রাফ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তারই ফলশ্রুতি সল্লু মিয়াঁকে পিছনে ফেলে দেওয়া। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩৫ লক্ষ ফলোয়ার তাঁর। ‘ভাইজান’-এর থেকে প্রায় ৬ লক্ষ বেশি। সামনে কেবল দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর ফলোয়ারের সংখ্যা ৪২ লক্ষেরও বেশি।

 

কেবল ফেসবুকই নয়, টুইটার বা ইনস্টাগ্রামেও কোহলির জনপ্রিয়তা অটুট। টুইটারে ১৬ লক্ষ ও ইনস্টাগ্রামে ১৪ লক্ষ ফলোয়ার কোহলির। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির হাত থেকে সীমিত ওভারের অধিনায়কত্বের ব্যাটন হাতে উঠে আসার পরে কোহলির জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। এ বছর ফোর্বস প্রকাশিত বিশ্বের সবথেকে বেশি রোজগেরে অ্যাথলিটদের তালিকাতেও উঠে এসেছে কোহলির নাম। তবে যতই একের পর এক পালক যুক্ত হোক তাঁর মুকুটে, বিরাট কিন্তু বিতর্কেও জড়িয়েছেন বার বার। সম্প্রতি অনিল কুম্বলের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে শিরোনামে এসেছেন। ‘কোচ’-এর পদ থেকে কুম্বলেকে সরানোর পিছনে তাঁর অবদান প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল সমালোচনা শুনতে হয়েছে বিরাটকে। সমালোচকদের তালিকায় আছেন সুনীল গাওস্করের মতো কিংবদন্তিও। কিন্তু মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা যে তাতে কমেনি তা প্রমাণ করছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার হিসেব। যা প্রমাণ করছে কোহলি এখনও ‘কিং’।