ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

খেলা

দিল্লি থেকে শুরু হবে অনূর্ধ্ব সতরো বিশ্বকাপের ট্রফি ট্যুর

দু মাসের কম সময়ে প্রথমবার ভারতের মাটিতে বসতে চলেছে ফুটবলের কোনও বিশ্বকাপের আসর। যুব বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়িয়ে দিতে চলতি মাসেই শুরু হতে চলেছে ট্রফি ট্যুর। সতেরোই আগস্ট থেকে রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু হবে অনূর্ধ্ব সতরো বিশ্বকাপের ট্রফি ট্যুর। তারপর চল্লিশ দিনে প্রায় নয় হাজার কিলোমিটার ঘুরবে মূল ট্রফিটি। দিল্লি থেকে গুয়াহাটি,কলকাতা,মুম্বই,গোয়া, কোচি হয়ে ট্টফি ফিরবে রাজধানীতে। একত্রিশে আগস্ট থেকে পাঁচই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলকাতায় থাকবে যুব বিশ্বকাপের ট্রফি। আঠাশে অক্টোবর ফুটবলের মক্কায় অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। ট্রফি ট্যুর ঘিরে ভারতের বিভিন্ন শহরে কার্নিভালের চেহারা দিতে চাইছেন উদ্যোক্তারা।

কপিল, কুম্বলে, হরভজনদের টপকে গেলেন রবীন্দ্র জাদেজা

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে নিজের টেস্ট কেরিয়ারে দেড়শো উইকেটের মালিক হলেন রবীন্দ্র জাদেজা। শ্রীলঙ্কার ধনঞ্জয় ডি'সিলভাই তাঁর টেস্ট কেরিয়ারের দেড়শোতম শিকার। আর সেই বিচারে তিনি টপকে গেলেন কপিল দেব, অনিল কুম্বলে, হরভজন সিংদেরও। কারণ, দেড়শো উইকেট ঝুলিতে ভরতে রবীন্দ্র জাদেজা নিলেন মাত্র ৩২টি টেস্ট। দ্বিতীয় দ্রুততম ভারতীয় বোলার হিসেবে এই নজির গড়লেন জাদেজা।অনিল কুম্বলের ১৫০ উইকেট পেতে লেগেছিল ৩৪টি টেস্ট। হরভজন সিংয়ের ক্ষেত্রে লেগেছিল ৩৫টি টেস্ট। আর হরিয়ানার হ্যারিকেন কপিল দেবের ক্ষেত্রে লেগেছিল ৩৯টি টেস্ট। এই বিষয়ে জাদেজার আগে শুধু রয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি ১৫০ উইকেট পেতে সময় নিয়েছিলেন মাত্র ২৯টি টেস্ট। এই প্রসঙ্গে, কলম্বো টেস্টের খবরও জেনে নিন। ভারতের ৬২২/৯ এর জবাবে ব্যাট করতে নেমে শনিবার শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে যায় মাত্র ১৮৩ রানে। পাঁচ উইকেট নেন অশ্বিন। ফলো অনের পর ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে এই মুহূর্তে রান ১ উইকেটে ২৬।

বিপক্ষের বোলারকে শাসন করে কোহলির একটা ব্যাটের দাম কত

বিরাট কোহলির ব্যাট কথা বলে। এ তথ্য সবারই জানা। যিনি ক্রিকেট সম্পর্কে কোনও খোঁজখবর রাখেন না, তিনিও কোহলির নাম জানেন। এখানেই তো ভারত অধিনায়কের বিশেষত্ব। এখনই কোহলি রেকর্ড গড়ছেন, রেকর্ড ভাঙছেন। অনেকেই মনে করছেন, কোহলি ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়েই শেষ করবেন। এ হেন কোহলির ব্যাটের দাম কত জানা আছে? জানা গিয়েছে কোহলির একটা ব্যাটের দামই প্রায় ১৭ থেকে ২৩ হাজারের মধ্যে। এ তো শুধু দাম! ব্যাটে তো বসে কোম্পানির লোগো। তার ফলে সেই ব্যাট হয়ে যায় দামী থেকে আরও দামী। কোহলির ব্র্যান্ড ভ্যালু মহেন্দ্র সিংহ ধোনির থেকেও বেশি। ব্যাট এনডোর্সমেন্টের দিক থেকেও কোহলি ছাপিয়ে গিয়েছেন ধোনিকে। এমআরএফ-এর লোগো ব্যাটে ব্যবহার করেন কোহলি। আর তার ফলে কোহলির সঙ্গে এমআরএফ-এর চুক্তিও আকাশছোঁয়া। তা প্রায় আট কোটির কাছাকাছি। ফলে বোঝাই যাচ্ছে কোহলির ব্যাটের দাম কত! কোহলি এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান। র‌্যাংকিং-কে ধরার দরকার নেই। কোহলি যেভাবে বিপক্ষের বোলারদের রাতের ঘুম কেড়ে নেন, তাতে তো তিনি দামী হবেনই। দামী ক্রিকেটারের ব্যাট তো দামী হবেই।

দরিদ্রদের অভুক্ত থাকতে দেবেন না, গম্ভীর

তাঁর দেশাত্মবোধ, তাঁর সুনাগরিকের ভূমিকা নেওয়া মাঝে মাঝে চমকে দিয়ে যায়। অভিভূত করে। গৌতম গম্ভীর। এবার যে ভূমিকা নিলেন, তাও তারিফ করার মতোই। দরিদ্র ও অভুক্ত মানুষদের খাবার খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। কেউ যেন রাতে পেটে খিদে নিয়ে ঘুমতে না যায়, তাঁর ব্যবস্থাই করতে বদ্ধপরিকর গম্ভীর। গৌতম গম্ভীর ফাউন্ডেশন এই উদ্যোগ শুধু নেওয়া নয়, কাজ করাও শুরু করে দিয়েছে। দিল্লির দরিদ্র ও অভুক্ত মানুষদের নিয়ে আপাতত কাজ শুরু করেছে কে কে আর–এর অধিনায়কের ফাউন্ডেশন। প্যাটেল নগরে গড়ে তোলা হয়েছে কমিউনিটি কিচেন। এই মহান উদ্যোগের স্লোগানটাও মন ছুঁয়ে যাওয়া। গৌতম গম্ভীর ফাউন্ডেশনের তরফে টুইট করা হয়েছে, ‘‌বিশ্বকাপ জিতেছি। আইপিএলে জিতেছি। এবার সময় হৃদয় জয় করার। আর খিদের জ্বালাকে হারিয়ে দেওয়ার। চলুন গড়ে তুলি কমিউনিটি কিচেন।’‌ একটি ছবিও পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে গম্ভীর নিজে হাতে খাবার সাজিয়ে তা তুলে দিচ্ছেন দরিদ্র মানুষকে। এই ছবিটি গম্ভীর নিজে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘‌সমবেদনা, সহানুভূতি হৃদয়ে নিয়ে, হাতে খাবারের থালা আর মুখে একটাই প্রার্থণা, কেউ যেন কখনও অভুক্ত হয়ে ঘুমোতে না যায়।’‌ টাকা তো সবাই রোজগার করেন। কিন্তু এভাবে ক’‌জন ভাবতে পারেন?‌ গম্ভীর পারেন। তাই ব্যতিক্রমীর দলেই তাঁর ঠাঁই। 

ইংলিশ চ্যানেল পেরনো সায়নী

কনকনে ঠান্ডা জল। রাত নামার পরই প্রবল বিরুদ্ধ স্রোত। সেই সঙ্গে জেলি ফিশের বিষ। ইংলিশ চ্যানেল পেরনোর সময় বাংলার সায়নী দাসকে লড়াই করতে হয়েছিল তিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। যদিও মরিয়া জেদকে সম্বল করে সাঁতার শেষ করেছিলেন সায়নী। শুক্রবার বিকেলে বিমানে নয়াদিল্লি থেকে কলকাতায় পৌঁছলেন কালনার সাঁতারু। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে এসেছিলেন আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা। অভ্যর্থনার ফাঁকে আপ্লুত সায়নী বলছিলেন, ‘‘সাঁতার শুরু করার সময় তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু রাত নামার সঙ্গে সঙ্গেই কিছু বুঝতে পারছিলাম না। কখনও মনে হচ্ছিল দু’মাইল বাকি, কখনও আবার মনে হচ্ছিল চার মাইল। জল কনকনে ঠান্ডা। বিপরীত স্রোত আমাকে ফ্রান্সের দিকে যাওয়ার বদলে ইংল্যান্ডের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। এক-একবার মনে হচ্ছিল, হয়তো শেষ করতে পারব না। কিন্তু বাবা ও আমার পাইলট সমানে বলছিলেন, হাল ছেড়ো না।’’সায়নী যোগ করলেন, ‘‘জেলি ফিশ গোটা শরীরে জ্বালা ধরাচ্ছিল। সাঁতার শেষ করার পরই জ্ঞান হারিয়েছিলাম। তবে আমার সমস্ত লড়াই সার্থক হয়েছে।’’

Read more...

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.