ত্রিপুরা ফোকাস

সাহিত্যের পাতা

হে সংবিধান, সহনশীলতা কাকে বলে

শঙ্খ সেনগুপ্ত

 

হে সংবিধান, সহনশীলতা কাকে বলে

(তরুণ সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিককে হত্যার প্রতিবাদে)

Read more...

আমার মহালয়া, আমার তর্পন

শ্যামল ভট্টাচার্য

আমার মহালয়া, আমার তর্পন

হয়তো আগের দিনই প্রচণ্ড বৃষ্টি হয়ে গেছে আকাশ কালো করে, ঢল। নবনির্মীয়মান ফ্লাইওভার অধ্যুষিত রাজধানী শহরের একপ্রান্ত কাদায় থই থই। পরদিন সকালে দুর্যোগের স্মৃতি ভুলিয়ে দিতে চেয়ে মিষ্টি রোদ ওঠে। ঘরের মেঝে কিম্বা দেওয়ালে রোদের টুকরো নানা আকারে দেদীপ্যমান। কারও বুঝতে বাকি থাকে না, প্রকৃতি তার আঙুল দিয়ে আলপনা এঁকেছে রোদের। আশ্বিন তো বেশ কিছুদিন আগেই এসে গেছে। বিশ্বকর্মা পুজোর আগে থেকেই এখনও সবুজের বৈচিত্রে রাজ্যের সমতল অঞ্চলগুলিতে, গোমতি, হাওড়া, ফেনি, দেওনদীর তীরে তীরে কাশবনের অলঙ্কার দেখে অনুভব করা যায়, কোথাও যেন প্রকৃতিরও পুজো শুরু করার তোড়জোড় চলছে। যার চোখ আছে সে দেখতে পায়, অন্যরা ঘ্রাণে টের পায়, বোধে জলতরঙ্গ বাজে। বাংলায় যাকে বলে আলপনা, তা মানবিক হওয়ার অনেক আগে থেকেই নৈসর্গিক। জীবনানন্দ যেমন লিখেছিলেন, ‘আকাশ ছড়ায়ে আছে নীল হয়ে আকশে আকশে’, নীলের এই আলপনা কিন্তু ষোলআনা নৈসর্গিক। মহালয়া আগে আমার অনুভবে প্রতিবছর সেই নিসর্গকে জাগিয়ে তুলতো নতুন উদ্দীপনায়, আ আজকাল হয়ে উঠি স্মৃতিমেদুর।

Read more...

৩৪-৩২-৩৪

রত্নদীপা দে ঘোষ

৩৪-৩২-৩৪

''৩৬-৩২-৩৪ প্রবল অশ্লীল / হালকা সুশীল / সস্তা যৌন / দামী অযৌন ... যেমন এই মুহূর্তে মাথার ওপরে এলোবাতাসের সিঁথি. জর্জেট নীল কবিতা ... শাড়ি উড়ছে ... উড়ছে রসাতল ... চোখ ভাসছে ... ব্রেসিয়ারের খণ্ড ... কাপ্সাইজ ...অনন্ত রঙের দুধভাণ্ড ... সেই অমর কাঁচুলি একবার স্পর্শের জন্য দৌড় সেই আদিঅন্তহীন সম্রাজ্ঞীর পেছনে ..সমস্ত পাওয়ার এবং না পাওয়ার জলাঞ্জলির লৌকিকতা কাঁধে ... আসলে কি জানো ... তুমি যা দেখো না , আমি তা লিখি। তুমি যা কও। আমি তার একটি বাক্যও দেখি না । তুমি যা শুনতে চাও না আমি তার প্রতিটি রঙপেসিলকে বল্গাহীন বাঁশি করি ... কবিতার চূড়ান্ত ফিগার। কবিতাই চূড়ান্ত ফিগার। বাকিখানি আমাদের অসহায়তা। আমরা যাকে কবুল করতে ভয় পাই।'' -রত্নদীপা দে ঘোষ

(৩৪-৩২-৩৪ কবিতার বইটি আমরা এখানে অনলাইনে পুনঃপ্রকাশ করলাম, লেখিকার অনুমতিতে। পাঠকের দরবারে।)

Read more...

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.