ত্রিপুরা ফোকাস

আন্তর্জাতিক

চিন সফরে মোদী

এক দশক পর দুই কোরিয়ার শীর্ষবৈঠক ঘিরে যখন কৌতুহলি সব চোখ চেয়ে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে তখনই বেজিং পৌঁছচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। ডোকলাম-সহ বকেয়া সমস্ত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। মোদীর এই সফরে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন জোয়ার আসবে বলে আশাবাদী কূটনীতিকরা। বৃহস্পতিবারই দু'দিনের চিন সফরে বেজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন মোদী। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক সূত্রের খবর, ডোকলাম ইস্যু-সহ ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা হতে পারে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। গত বছর দুই মাস ধরে চলা ডোকলাম বিবাদের অবসান হলেও চাপানোতরের রেশ এখনো কাটেনি। ডোকলামে চিনা সেনার আধিপত্য বজায় থাকায় স্বভাবতই কপালে ভাঁজ পড়েছে সাউথ ব্লকের।

Read more...

বৌদ্ধ ধর্ম বেঁধেছে দু'দেশকে, মঙ্গোলিয়ায় বললেন সুষমা

বিদেশমন্ত্রী হিসাবে প্রথম মঙ্গোলিয়া সফরের দ্বিতীয় দিনে, দু'দেশের যৌথ আধ্যাত্মিক ঐত্যিহ্যের কথা স্মরণ করালেন সুষমা স্বরাজ। ৪২ বছরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী পৌঁছলেন উলানবটরে। বৃহস্পতিবার সফরের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট খালতমাগিন বাতেলগা-র সঙ্গে সক্ষাত্ করেন সুষমা স্বরাজ। সেখানে তিনি বলেন, মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে ভারতের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং বিশ্বাসের যৌথ ঐতিহ্য এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। উল্লেখ্য, বুধবার বৌদ্ধ প্রধান দেশের প্রয়াত ১৯তম  কুশক বাকুলা রিনপোচে-র শততম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেন সুষমা। সেখানে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বক্তৃতা রাখেন তিনি। সুষমা বলেন, ভারত-মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সম্পর্ক মজবুত। দুই দেশের  বিশ্বাস, আধ্যাত্মিক ধ্যানধারণায় বৌদ্ধ ধর্মের প্রাধান্য রয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত কুশক বাকুলা ছিলেন মঙ্গোলিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত।  মঙ্গলবার চিন সফর সেরে চেঙ্গিস খাঁ-র দেশে রওনা হন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন ফরেন মিনিস্টার্স বৈঠকে যোগ দিতে বেজিংয়ে যান সুষমা।

দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট সাক্ষাতের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব

এক দশক পর শুক্রবার বৈঠকে বসতে চলেছেন ২ কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরা। কোরিয়ার অসমারিক এলাকা পানমুনজমে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কিম জং উন। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম প্রতিবেশী দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। শুধু দুই দেশের নয়, এই বৈঠক নিয়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে গোটা বিশ্বে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই বৈঠকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উঠে আসতে পারে। কোরিয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। ১৯৫৩ সালে কোরিয় যুদ্ধ শেষ হলেও দুই কোরিয়ার সম্পর্কে কোনও দিনই উন্নতি হয়নি। এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। এছাড়া শান্তির রক্ষায় দুই দেশই অগ্রণী ভূমিকা নেবে বলেও জানা যাচ্ছে। ২০১১ সালে ক্ষমতার আসার পর ৮৯ টি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। যেখানে তাঁর পূর্বসূরী কিম জং ইল (১৯৯৪ - ২০১১) ১৬টি এবং  কিম ইল সাং (১৯৮৪ - ১৯৯৪) ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিলেন। প্রসঙ্গত, চিন সফরের পর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের পথে হাঁটার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিম জং উন। এমনকী, সে দেশের পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র গবেষণাকেন্দ্রগুলি বন্ধ করে দিয়েছেন বলেও দাবি করেন কিম।

'বিনোদন নগরী নির্মান হচ্ছে সৌদিতে

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের সন্নিকটে একটি বিনোদন নগরী নির্মান হতে যাচ্ছে। বাদশাহ সালমান বুধবার এর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।  কর্মকর্তারা জানান, সৌদি আরবের তেল নির্ভর অর্থনীতিতে ভিন্নতা আনার প্রচেষ্টা চলছে। এই প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের নানা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ওই বিনোদন নগরী এ প্রকল্পেরই একটি অংশ।  জানা গেছে, রিয়াদের দক্ষিণ-পশ্চিমের কিদিয়ায় ৩৩৪ বর্গ কিলোমিটারের এ মেগা প্রকল্পে থাকছে থিম পার্ক, মোটর স্পোর্টস সুবিধা ও একটি সাফারি পার্কসহ ওয়াল্ট ডিজনী। এ বিষয়ে প্রকল্প কর্মকর্তা ফাহাদ বিন আব্দুল্লাহ তৌসি বলেন, এ প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটির নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন।দেশটির সুদুরপ্রসারী ভিশন-২০৩০ সংস্কার কর্মসূচির প্রধান উদ্যোক্তা তিনি।

উত্তর কোরিয়া সংকট

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনা সত্যি হবে কিনা-তা নিয়ে অনেকের মনে সন্দেহ রয়েছে। আলোচনা হলে তা কীভাবে হবে, তার ফল কী হবে-তা নিয়েও রয়েছে অনেক জল্পনা কল্পনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই সংকট আসলে কী নিয়ে। উত্তর কোরিয়া কেন পারমাণবিক অস্ত্র চায়? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরিয়ান উপদ্বীপ বিভক্ত করে ফেলা হয়। উত্তর কোরিয়া স্টালিনপন্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রটিকে শুরু থেকেই স্বৈরতান্ত্রিক বলা হয়ে থাকে। উত্তর কোরিয়া সব সময় বিশ্ব রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। অথবা বেশিরভাগ রাষ্ট্র দেশটির সঙ্গে  দূরত্ব বজায় রেখেছে। দেশটি মনে করে বহির্বিশ্বের আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক শক্তিই তাদের জন্য একমাত্র উপায়।

Read more...

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.