ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

আন্তর্জাতিক

'ডোক লায় ভারত প্রাপ্তবয়স্ক, চিন কিশোর,' মত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞের

ভারত প্রাপ্তবয়স্কের মতো আচরণ করছে। চিন মেজাজ হারানো কিশোরের মতো ব্যবহার করছে। ডোক লা ইস্যুতে এমনটাই প‌র্যবেক্ষণ শীর্ষ মার্কিন প্রতিরক্ষা আধিকারিক। ডোক লা নিয়ে গত পঞ্চাশ দিন ধরে ভারত ও চিনের বিবাদ চলছে। ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করে US Naval War College-এর অধ্যাপক জেমস আর হোলসের মতে,"নয়াদিল্লি এখনও প‌র্যন্ত ‌যে পদক্ষেপ করেছে, তা একদম সঠিক। ভারত বিবাদ থেকে সরে আসেনি। চিনের কোনও রকম উস্কানিতে পা দেয়নি দিল্লি। এই বিষয়ে ভারত প্রাপ্তবয়স্কের মতো আচরণ করছে। কিন্তু কিশোরের মতো মেজাজ দেখাচ্ছে চিন।" তিনি আরও বলেন,"শক্তিশালী পড়শির (পড়ুন ভারত) সঙ্গে চিন সীমান্তের বিবাদ জিইয়ে রাখতে চাইছে। তারা জলের নিরাপত্তা বাড়াচ্ছে। তাদের আগে সীমান্তের নিরাপত্তার দিকে নজর দিতে হবে।হোমস মনে করেন, হিমালয়ে চিনের চেয়ে ভারত ভৌগলিক সুবিধা বেশি পাবে।" কেন এই বিবাদ নিয়ে মার্কিন ‌যুক্তরাষ্ট্র নীরব? হোমসের ব্যাখ্যা, হিমালয়ের পার্বত্য এলাকার সমস্যায় আমেরিকা নাক গলাক, হতে পারে তা চান না নরেন্দ্রে মোদী ও তাঁর পরামর্শদাতা। তবে বিবাদ আরও বাড়লে ভারতের সমর্থনে এগিয়ে আসতে পারে মার্কিন ‌যুক্তরাষ্ট্র।

আমেরিকা থেকে অপরিশোধিত তেল কিনবে ভারত

ভারত এই প্রথমবারের মতো আমেরিকা থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতি মাসে আমেরিকার কাছ থেকে ভিএলসিসি নামে পরিচিত বিশাল ট্যাংকার বোঝাই অপরিশোধিত তেল কেনার জন্য নয়াদিল্লি সরকারের অনুমোদন পেয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, আমেরিকা থেকে প্রতি মাসে বিদেশি ট্যাংকারে করে তেল আনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর আগে কেবলমাত্র ভারতীয় ট্যাংকারে করে তেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হতো। ভারতীয় বিধি মোতাবেক দেশের শিপিং লাইনের চেয়ে বিদেশি ট্যাংকার কম্পানি কম দর দিতে ব্যর্থ হলেই কেবল বিদেশি জাহাজে করে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির অনুমতি পেত ভারতীয় তেল কম্পানিগুলো। কেবলমাত্র অপরিশোধিত তেলবাহী অতি বিশাল ট্যাংকার বা ভিএলসিসিতে করেই আমেরিকা থেকে তেল আমদানি করা যায়। এজন্য ভারতীয় তেল কম্পানিগুলোকে যদিও মার্কিন শিপিং মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন ছিল।

Read more...

ভারতের হাতে সময় খুব কম: চীন

আবার চীনের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি। যুদ্ধের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে, ভারতের হাতে সময় খুব কমে আসছে। বুধবার অনেকটা এই ভাষাতেই নয়াদিল্লিকে সতর্ক করেছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এবং সংবাদমাধ্যম একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতকে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতীয় বাহিনীর এক জনও যদি আর এক মুহূর্ত ডোকলামে থাকেন, তাহলে তা চীনের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে ধরে নেওয়া হবে। আর চীনের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র ‘চায়না ডেলি’ মন্তব্য করেছে, সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, এখনই যদি ভারত বাহিনী প্রত্যাহার না করে, তাহলে নিজেদেরকে দোষারোপ করা ছাড়া আর কোনও পথ থাকবে না ভারতের সামনে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ওয়াং ওয়েনলি গতকাল বুধবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, এই সময়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসা অসম্ভব। আমাদের দেশের মানুষ ভাববেন, আমাদের সরকার অক্ষম। ডোকলাম থেকে যতক্ষণ না ভারত সম্পূর্ণ বাহিনী ফিরিয়ে নিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোন আলোচনা সম্ভব নয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

Read more...

হাফিজ সইদ কি পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মহলে জঙ্গি স্বীকৃত পেলেও পাকিস্তান যে লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের কাছে স্বর্গ রাজ্য তা প্রমাণিত হলো আবারও। এবার দল গড়ে সরাসরি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে নাম লেখালেন সইদ। লস্করের শাখা সংগঠন জামাত-উল-দওয়াহা আদর্শকে পাথেয় করে মিল্লি মুসলিম লিগ পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল শুরু করল সইদ এর সহযোগীরা। নিজের মুখে এ কথা জানিয়েছেন দলটির প্রেসিডেন্ট সাইফুল্লাহ খালিদ। ২০০৮ সালে এই হাফিজ সইদের পরিকল্পনাতেই হামলা হয়েছিল মুম্বইয়ে। মৃত্যু হয়েছিল ১৬৬ জনের। এর পরে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে শুরু করে ভারত। অভিযোগ করা হয়, সইদকে আস্তানা দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সাহায্য করছে পাক প্রশাসন। এমনকি সইদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গিও ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে পাক ইলেকশন কমিশনে আবেদন পত্রও জমা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। প্রস্তুতি প্রায় শেষ।

Read more...

ডোকলামে সেনা অভিযানের পথে চীন

ডোকলাম থেকে ভারতীয় সেনা হটাতে ছোটখাটো মিলিটারি অপারেশন চালাতে চলেছে চীন। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই চীন এই অপারেশন চালাবে। সম্প্রতি চৈনিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস্-এ এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। গ্লোবাল টাইমস্-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ডোকলামে ভারত ও চীন সেনা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে। বার বার বলা সত্ত্বেও ভারত পিছু হটছে না। আর সে কারণেই চীনের এই সিদ্ধান্ত। হু ঝিইয়ং নামে সাংহাই অ্যাকাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর এক রিসার্চ ফেলোকে উদ্ধৃত করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে গ্লোবাল টাইমস। রিপোর্টে হু ঝিইয়ং জানিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে সেনা প্রত্যাহার করতে বলবে চীন। তা যদি না করা হয় তা হলে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই ওই অভিযান হবে। কারণ আর বেশি দিন চীনের সীমান্তে ভারতীয় সেনার অনুপ্রবেশ সহ্য করবে না চীন। গত বৃহস্পতিবার সংসদে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ যুদ্ধের পথে না গিয়ে কূটনৈতিক পথেই ডোকলাম সমস্যা সমাধানের কথা বলেছিলেন। এ জন্য দু’দেশকেই আগে ডোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং তার পর আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার কথা বলেন সুষমা। এর এক দিন পরেই চীনের সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়।

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.