ত্রিপুরা ফোকাস

আন্তর্জাতিক

বিমানে স্যামসঙ গ্যালাক্সি নোট ৭ নিষিদ্ধ করল মার্কিন সরকার

বেশ কিছুদিন ধরেই স্যামসঙ গ্যালাক্সি নোট ৭ নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যেকোনও মুহূর্তে আগুন লেগে যেতে পারে এই ফোনে। ফোনে আগুন লেগে যাওয়ার বেশ কয়েকটি ঘটনাও জানা গিয়েছে। এরপরই বাজার থেকে সমস্ত গ্যালাক্সি নোট ৭ তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে স্যামসঙ। তারপরেও আশঙ্কা থেকেই গিয়েছে। এবার বিমানে এই ফোন নিষিদ্ধ করল মার্কিন সরকার।

Read more...

থাইল্যান্ডের নতুন মহারাজাকে নিয়ে আশঙ্কা

ভূমিবল আদুলাদেজের মৃত্যুর পর থাইল্যান্ডের নতুন মহারাজা এখন বজিরালংকর্ণ। আর এই নতুন মহারাজাকে নিয়েই যত আশঙ্কা। রাজা বলে রাজা। গল্পে যেমন বেশ কিছু রাজাদের নামে লেখা হয়, রাজা মানেই নারী-সুরা আর অত্যাচারী, রাজা মানেই বেহিসাবে জীবন। বজিরালংকর্ণকে নিয়েও এমনই কথা শোনা যাচ্ছে। বজিরালংকর্ণের জীবনটা পুরো বেহিসাবি। তিনটে বিয়ে করেছেন। মাঝেমাঝেই অর্ধনগ্ন হয়ে রাস্তায় ঘোরেন।

Read more...

চাঁদে ইউএফও-র অবতরণ প্রকাশ্যে আনল নাসা

ছবিটি বহুদিন আগেই তোলা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই অ্যাপোলো ১১ মিশনের সময়ে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ছবির মধ্যে একটি ছোট্ট জিনিস এতদিন সকলের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল। এবার সেই জিনিসটি চোখে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বৈজ্ঞানিক মহলে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও ছবি অনুযায়ী, চাঁদে অবতরণ করতে দেখা গিয়েছে ইউএফওটিকে। অনেকটা মিসাইলের মতো এর গঠন।

মনে করা হচ্ছে, বাজ অলড্রিন বা নিল আর্মস্ট্রং-এর মধ্যে কেউ তুলেছিলেন ছবিটি। ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকে মনে করছেন, নাসার থেকে উৎক্ষেপিত কোনও মিসাইলের ছবিই ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। অনেকে আবার সে যুক্তি মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, অত বছর আগে চাঁদে নাসা মিসাইল পাঠায়নি। ১৯৫৯ সালে রাশিয়ার লুনা ২ সর্বপ্রথম চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছিল। তার ১০ বছর বাদে অ্যাপোলো ১১ আবার চাঁদের কক্ষপথ ছোঁয়। তাই এর মধ্যে সেখানে অন্য কোনও মহাকাশযান বা মিসাইল আসবেই বা কী করে! সবমিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে কৌতুহল ক্রমশ বাড়ছে মানুষের। নাসার তরফ থেকে ছবিটি প্রকাশ্যে আনা হলেও অন্য কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, প্যারানরমাল ক্রুসিবিল নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে কিছুদিন আগেই প্রকাশিত হয়েছিল একটি ভিডিও। সেখানে দেখা গিয়েছে কিছু মিসাইলকে, যেগুলি চাঁদের কক্ষপথ ধরে উড়ে যাচ্ছে। অনেকে এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, চাঁদে বেশ কিছু এলিয়েন ঘাঁটি ধ্বংস করতেই নাসা পৃথিবী থেকে মিসাইলগুলি পাঠাচ্ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে, যদি বা ভিনগ্রহের প্রাণীরা থেকে থাকে, তারা কি ক্ষতিকারক মানব সভ্যতার জন্য? যদিও নাসার তরফ থেকে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। বলা বাহুল্য, যদি চাঁদে সত্যিই ভিনগ্রহের প্রাণীরা পৌঁছে গিয়ে থাকে, পৃথিবীতে আসতেও আর বেশি দেরি নেই তাদের।

 

জীবনের জয়-গানে... সাহিত্যে নোবেল ডিলানকে

সাহিত্যে এবারের নোবেল পুরস্কার পেলেন কিংবদন্তিপ্রতিম মার্কিন গীতিকার ও সংগীতশিল্পী বব ডিলান। বিশ্বজুড়ে এক ডাকে বব ডিলান নামে চেনা হলেও এই সংগীতশিল্পীর প্রকৃত নাম কিন্তু রবার্ট আলেন জিমারম্যান। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার ডালুস এলাকায় ১৯৪১ সালে জন্ম তাঁর। জন্মের পর পরিবার ওই লম্বা নামটিই রেখেছিল। বড় হয়ে সংগীতজগতে প্রবেশের পর নিজের নাম বদলে ফেলেন তিনি।

আত্মজীবনীতে বব ডিলান লিখেছেন, তাঁর দাদা-দাদি জিগম্যান ও আনা জিমারম্যান ১৯০৫ সালে ইহুদিবিরোধী নির্যাতনের কারণে বর্তমান ইউক্রেন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। আর নানা-নানি বেন ও ফ্লোরেন্স স্টোন লিথুয়ানিয়া থেকে ১৯০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান।
সংগীতজগতে বব ডিলানের প্রবেশ মাত্র ১০ বছর বয়সে। ওই বয়সেই তিনি কবিতা লেখায় এবং পিয়ানো আর গিটার বাজানোয় হাত পাকিয়ে ফেলেন। এলভিস প্রিসলি, জেরি লি লুইস এবং লিটল রিচার্ড ছিলেন তাঁর অনুপ্রেরণা। হাইস্কুলে পড়ার সময় তো বব ডিলানের জীবনের লক্ষ্যই ছিল লিটল রিচার্ডের দলে যোগ দেওয়া।
তরুণ বব ডিলান ১৯৫৯ সালে ভর্তি হন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ সময় লোকজ এবং রক সংগীতের কিংবদন্তি হ্যাঙ্ক উইলিয়ামস, রবার্ট জনসন ও উডি গাথরি তাঁকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেন। খুব শিগগির বব ডিলানকে শ্রেণিকক্ষে কম এবং কাছের কফি হাউসে বেশি দেখা যেতে লাগল। ঠিক এই সময়টাতেই তিনি ‘বব ডিলান’ নাম নেন। ধারণা করা হয়, জনপ্রিয় কবি ডিলান টমাসের নাম থেকে তিনি নিজের নতুন নামটা পছন্দ করেছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া অসমাপ্ত রেখেই ১৯৬০ সালে বব ডিলান ভাগ্যের সন্ধানে নিউইয়র্ক পাড়ি জমান। সেখানে কলাম্বিয়া রেকর্ডস প্রকাশ করে তাঁর দ্বিতীয় অ্যালবাম দ্য ফ্রিহুইলিঙ বব ডিলান। এই অ্যালবামে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়ে যান বব ডিলান। এ দশকে তাঁর গানে গানে উঠে আসতে থাকে মার্কিন দেশের ইতিহাস। উঠে আসে যুদ্ধ, বর্ণবাদ এবং নানা সামাজিক অসংগতির কথাও। বব ডিলান খ্যাতি পেয়ে যান ‘নিজ প্রজন্মের মুখপাত্র’ হিসেবে।
দ্বিতীয় অ্যালবাম প্রকাশের পর খুব শিগগির বব ডিলানকে নাগরিক অধিকার রক্ষায় তৎপর হয়ে উঠতে দেখা যায়। এ নিয়েই গান লিখতে এবং গাইতে শুরু করলেন তিনি। ১৯৯১ সালে প্রকাশ করেন ব্লাইন্ড উইলি ম্যাকটেল শীর্ষক অ্যালবাম। এতে তিনি গানের ভাঁজে ভাঁজে যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দিত দাসপ্রথার গল্প বুনেছেন।
৭৫ বছর বয়সী এই সংগীতশিল্পী জীবনভর সাহিত্য এবং সংগীতের মিশ্রণ ঘটানোর পরীক্ষা চালিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে বব ডিলান তাঁর ৩৭তম স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। এখানেও তিনি সংগীত এবং সাহিত্য নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। এ বছর নোবেল পুরস্কারও জিতেছেন তিনি এ কারণে। মার্কিন সংগীতে নতুন কাব্যিক ধারা সৃষ্টির কারণে তাঁকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সুইডিশ একাডেমি।

 

রানির দেশে পুজোয় মেতে উঠেছেন প্রবাসী বাঙালিরা

রানির দেশে পুজোর আলাদাই আভিজাত্য। দুর্গাপুজোকে সাধারণত উইকএন্ডের উপাচার হিসেবেই জানেন পশ্চিমী বিশ্বের মানুষ। কিন্তু, লন্ডনে তা হয় না। টেমসের পাড়ে পুজো হয় বাঙালি রীতিনীত অক্ষরে অক্ষরে মেনেই। আর সেই পুজোতে ভিড়ও হয় তেমনই। শুধু সেদেশে বসবাসকারী বাঙালিরাই নন, ভিড় জমান ইংল্যান্ডের নেটিভরাও। চুটিয়ে মজা করা, আর সঙ্গে বাঙালি ভুড়িভোজের আয়োজনও থাকে। ষষ্ঠী থেকে দশমী। বোধন থেকে সিঁদুর খেলা। দুর্গাপুজোর প্রতিটি উপাচার এখানে পালন করা হয়। লন্ডনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পুজোগুলি হল এলি-এর শারদ উত্‍সব এবং Mid lands-এর বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের পুজো। এখানে প্রতিমা নিরঞ্জন হয় না। দূষণের আশঙ্কায় প্রশাসন সেই অনুমতি দেয় না। প্রতিমা সংরক্ষিত হয়, পরের বছরের জন্য।

 

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.