ত্রিপুরা ফোকাস

আন্তর্জাতিক

ভারতকে ফের হুমকি চিনের, "পর্বত নাড়ানো যায়, লাল ফৌজকে না'

সিকিম সীমান্তে টানাপড়েনের মধ্যে ভারতকে দ্বিতীয় বারের জন্য (১৯৬২র পর) শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দিল চীন। যুদ্ধের হুঙ্কারের সঙ্গে কূটনৈতিক স্তরেও বাড়ানো হলো চাপ। চীনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হলো, ডোকলাম উপত্যকা থেকে ভারত সেনা না সরালে চলতি সপ্তাহে পররাষ্ট্রসচিব এস জয়শঙ্কর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের বেইজিং সফরের সময়ও সীমান্তে অস্থিরতা নিয়ে কোনো রকম আলোচনায় বসবে না তারা। চীনের সরকারি খবরের কাগজ গ্লোবাল টাইমস এ প্রকাশিত উত্তর-সম্পাদকীয় নিবন্ধে আজ দিল্লিকে শুধু হুমকিই দেওয়া হয়নি, কার্যত বিদ্রুপ করে বলা হয়েছে, ভারত ভুলে যায় সব কিছু। ওদের দ্বিতীয় বার শিক্ষা দেওয়ার সময় এসেছে। চীনা সরকারের একজন প্রাক্তন কূটনীতিককে উদ্ধৃত করে নিবন্ধে লেখা হয়েছে, ডোকলাম থেকে ভারত সেনা সরাক, না হলে সীমান্ত পরিস্থিতি যখন উত্তপ্ত হয়ে উঠবে, তখন ভারতীয় সেনাদের বন্দি করা হতে পারে, হত্যাও করা হতে পারে। এর আগেও ১৯৬২র কথা টেনে এনে দিল্লিকে নিশানা করেছিল বেইজিং। যার জবাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছিলেন, ১৯৬২র ভারত আর ২০১৭র ভারত এক নয়। বেইজিং পাল্টা বলে, এই ৫৫ বছরে তারাও পাল্টে গিয়েছে। ফলে এখনও ভারতকে শিক্ষা দিতে সক্ষম তারা। আজ সেই কথাকেই আরও চড়া সুরে তুলে ধরেছে বেইজিং।

Read more...

আলোচনার মাধ্যমেই ভারত-চিন সমস্যা মেটাতে হবে : পেন্টাগন

ভারত ও চিনের মধ্যে উদ্ভূত উত্তপ্ত পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের জন্য দুই দেশের অবিলম্বে আলোচনায় বসা উচিত। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তরফ থেকে এমনই আর্জি জানানো হয়েছে ভারত ও চিনের কাছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও শর্ত ছাড়াই এই আলোচনা হওয়া উচিত। দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে সংশয় প্রকাশ করেছে আমেরিকা। চলতি বছরই বেজিং-এ রয়েছে BRICS সম্মেলন। তার আগে দুই দেশের মধ্যে সমস্যা সমাধানের জন্য আর্জি জানিয়েছে পেন্টাগন। জুলাইয়ের শেষ দিকে বেজিং যাচ্ছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভল। সেখানে তাঁর সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে চিনা নিরাপত্তা উপদেষ্টার বলে সূত্রের খবর। গত কয়েক মাস ধরে ভারতের সিকিম, চিন ও ভূটান সীমান্তে অবস্থিত ডোংলাং নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। ইতিমধ্যেই চিনের তরফে ওই এলাকার দখল নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বাধা দেওয়ায় ভারতের ওপর নানা ভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে সেখানে।

মাদক ব্যবসায়ীদের গুলির নির্দেশ দিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়া মাদকের বিস্তাররোধে মাদক পাচারকারীদের গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উয়িদোদো। ইন্দোনেশিয়ার একটি রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেয়া ভাষণে উয়িদোদো শুক্রবার রাতে এ নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, 'দৃঢ় হোন, বিশেষভাবে বিদেশি মাদক পাচারকারীদের বিষয়ে। যারা এ দেশে প্রবেশ করে গ্রেপ্তার ঠেকানোর চেষ্টা করছে। তাদের গুলি করুন, কারণ আমরা এখন বস্তুত মাদকসংক্রান্ত জরুরি অবস্থার মধ্যে আছি।' উয়িদোদোর এ বক্তব্যকে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রডরিগো দুতার্তের নির্দেশের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এক বছর ধরে কঠোর মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন দুতার্তে। এই অভিযানে ফিলিপাইনের বহু কথিত মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন। মাদকসংক্রান্ত বিষয়ে ইন্দোনেশিয়া আইনকানুন অত্যন্ত কঠোর। আদালত যেসব মাদক পাচারকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল তাদের দণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দিয়ে এর আগে সমালোচিত হয়েছিলেন উয়িদোদো। মৃত্যুদণ্ড রহিত করার জন্য অধিকার আন্দোলনকারীরা ও বিশ্বের বেশ কয়েকটি সরকার ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ভারত-চীন সংঘাতের কারণ হতে পারে মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদ

ভারতে ক্রমেই বাড়ছে উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেদিকেই বেশি নজর দিয়েছেন। অবহেলা করেছেন চীনের মতো রাষ্ট্রের প্রতি সঠিক বৈদেশিক নীতি রূপায়ণে। ভুল নীতি গ্রহণ করায় এখন পালটা চাপের মুখে ভারতই। এবার এই ভাষাতেই ভারতকে মৌখিক আক্রমণের পথে হাঁটল চীনা সংবাদমাধ্যম। বৃহস্পতিবার এই ভাষাতেই চীনের সরকারি সংবাদপত্র ভারতের সমালোচনা করেছে। ধর্মীয় প্রসঙ্গ তুলে চীনের এই আক্রমণে বেশ অবাক ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। চীনা সংবাদপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে যে, নয়াদিল্লির শক্তি বেইজিংয়ের চেয়ে বহুগুণ কম। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিবিদরা সেই সহজ সত্য মেনে নিতে চান না। সিকিম সীমান্তের কাছে চীনের সেনাবাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে ধর্মীয় ভেদাভেদ নিয়ে অশান্তি উসকে নয়াদিল্লিকে নতুন করে বেকায়দায় ফেলতে চাইছে বেইজিং, এমনটাই মনে করছেন ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

Read more...

পাকিস্তান ‘সন্ত্রাসবাদের স্বর্গরাজ্য’ বলল আমেরিকা

আন্তর্জাতিক মহলে আবারও বড় ধাক্কা পাকিস্তানের। মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা কান্ট্রি রিপোর্ট অন টেররিজম তালিকায় পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের আশ্রয়দাতা হিসাবে উল্লেখ করল আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে লস্কর ও জইশ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেনি পাকিস্তান। সেখানে স্বাধীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে দুই জঙ্গি গোষ্ঠী। ফলে পাকিস্তানের মাটিতে নিজেদের স্বর্গপুরী তৈরি করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। বলা হয়েছে আফগান তালেবান ও হাক্কানি নেটওয়ার্ককে ঠেকাতেও তেমন কোনও সাফল্য পায়নি পাকিস্তান। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে বরাবরই পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে এসেছে আমেরিকা। এমনকি সন্ত্রাসবাদকে ঠেকাতে অলআউট পদক্ষেপ নেওয়ারও কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সীমান্তে মদত দিয়ে ভারতে জঙ্গি সাপ্লাই করছে পাকিস্তান।

Read more...

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.