ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধের প্রস্ততি নিচ্ছে বেইজিং

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে রণসজ্জা প্রস্তুত করছে বেইজিং। মার্কিন সংস্থা এশিয়া মেরিটাইম ট্রান্সপারেন্সি ইনিশিয়েটিভের উপগ্রহ থেকে পাঠানো চিত্র থেকে এই খবর পাওয়া গেছে। ওয়াশিংটনের ওই উপগ্রহ থেকে পাওয়া ছবি অনুসারে, স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জে যুদ্ধবিমানের জন্য ঘাঁটি নির্মাণ এবং রাডার স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র চৌকি বসানো হচ্ছে। এসব চৌকির ছাদ জরুরি অবস্থায় সরিয়ে নিয়ে খুব সহজেই সেখান থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া যাবে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দুই ধরণের কাজে ব্যবহারযোগ্য স্থাপনা নির্মাণের কাজও চলছে জোরকদমে। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ভিয়েতনামের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে চীনের। বিরোধ মেটাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় শান্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল বেইজিং। তারপরেও এই ধরণের কার্যকলাপে উদ্বিগ্ন হ্যানয়।

রাষ্ট্রপুঞ্জের কর তহবিলে ১ লক্ষ মার্কিন ডলার অনুদান ভারতের

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে রাষ্ট্রপুঞ্জের কর তহবিলে স্বেচ্ছায় ১ লক্ষ মার্কিন ডলার অনুদান দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের 'ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশানাল কর্পোরেশন ইন ট্যাক্স ম্যাটার'-এ জমা পড়ল ভারতের এই আর্থিক অনুদান। ২০০৬ সালে তৈরি হওয়ার পর থেকে এই ফান্ড মূলত উল্লয়নশীল দেশগুলিকে কর বিষয়ক আলোচনায় প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য উত্সাহিত করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নিজ ইচ্ছায় এগিয়ে এসে কোনও দেশ মুক্ত হস্তে এই তহবিলে কোখনও দান করেনি। ফলে ভারতের এই অর্থ সাহায্য আক্ষরিক অর্থেই ঐতিহাসিক। সংস্থার হাতে এদিন ভারত অনুদানের চেক তুলে দিয়ে আশা প্রকাষ করেছে যে, আগামী দিনে অন্যান্য রাষ্ট্রও এগিয়ে আসবে স্বেচ্ছায়।

চীন চরম হুঁশিয়ারি দিল ভারতকে

সিকিম সেক্টরে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চীনা সেনার লড়াই নিয়ে বেশ কড়া অবস্থান নিয়েছে ভারত। স্থল সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত জানিয়েছিল, চীন ও পাকিস্তান ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে তা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ভারত। এরপরেই ভারতের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি দিল চীন। নাম না করে তারা কটাক্ষ করেছেন সেনা প্রধানকে ও ১৯৬২-র ভারত-চীন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে খোঁচা দিয়েছে ভারতকে। বৃহস্পতিবার পিপলস লিবারেশন আর্মি’র মুখপাত্র উ ইয়ান জানিয়েছে, যে ব্যক্তি এমন মন্তব্য করেছে তার ইতিহাস ঘেঁটে দেখা উচিত। এমনকি ভারতীয় সেনা বেআইনি ভাবে চীনের জমিতে ঢুকে পড়েছিল বলেও অভিযোগ করেছে সে। তার দাবি সিকিমের ডোকলাম সেক্টরে তাদের নিজেদের জমিতে কাজ করছিল চীনা সেনারা। সেখানে ঢুকে চীনা সেনাদের কাজে বাঁধা দেয় ভারতীয় সেনা।

Read more...

'ভারতকে শিক্ষা দিতে হবে' : চীনা সংবাদপত্র

সম্প্রতি সীমান্ত নিয়ে নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে সংঘাত তুঙ্গে উঠেছে। সিকিম সীমান্ত হয়ে চীনের সরকারি সেনাবাহিনী ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’র অনুপ্রবেশ ও ভারতীয় সেনার সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ছবি ছড়িয়ে পড়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সাহায্য পেয়ে ভারত দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। নয়াদিল্লিকে ‘উচিত শিক্ষা’ দিতে হবে, বুধবার এই ভাষাতেই চীনের সরকারি সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস ভারতকে তীব্র আক্রমণ করল। এই পরিস্থিতিতে চীনা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে এই প্রতিবেদন নতুন করে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংক্রান্ত বিতর্কে ঘি ঢালল বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। চীনা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাবের পিছনে রয়েছে সে দেশের ক্রমবর্ধমান জিডিপি। জিডিপির বৃদ্ধির বিচারে বিশ্বের পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। তবে চীনের আর্থিক বৃদ্ধির হারের চেয়ে যে ঢের পিছিয়ে রয়েছে ভারত, সে বিষয়েও সতর্ক করেছে বেইজিং।

Read more...

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা ব্যর্থ হলো

ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ব্যর্থ হওয়ায় বড়সড় ধাক্কা খেল মার্কিন সামরিক বাহিনী। সম্প্রতি ব্যর্থ হয়ে যায় মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা। হাওয়াইয়ে চালানো এই পরীক্ষায় কল্পিত শত্রুর মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারেনি মার্কিন নৌবাহিনী।

 এ সময় ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের কাজে নিয়োজিত ছিল মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার জন পল জোন্সস। মার্কিন নৌবাহিনীর সেরা যুদ্ধজাহাজের অন্যতম এটি। অবশ্য, ছুটে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে সঠিকভাবে নির্ণয় ও শনাক্ত করতে পেরেছিল এএন/এসপিওয়াই-১ ফেইজড অ্যারে রাডার।

উত্তর কোরিয়ার মিসাইল হুমকির মোকাবিলায় অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি করছিল আমেরিকা। আমেরিকা এবং জাপান যৌথভাবে এই ব্যবস্থা তৈরির কাজ করেছে। কিন্তু চূড়ান্ত পরীক্ষাতে ফেল করল মার্কিন এই প্রযুক্তিনির্ভর মিসাইল ব্যবস্থা।

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.