ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

আন্তর্জাতিক

ভারতে পর্যটন পুস্তিকা থেকে তাজমহল বাদ

উত্তর প্রদেশ রাজ্যের পর্যটন বিভাগের নতুন এক পুস্তিকায় বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম তাজমহল নিয়ে কোনো কথা না থাকায় তা নিয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সাংবাদিক, রাজনীতিক এবং সাধারণ মানুষের অনেকে সোশাল মিডিয়াতে এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ নিয়ে ১২ হাজার টুইট হয়েছে। হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় আসার ছয় মাস পর এই পুস্তিকা প্রকাশ করা হলো। এই পুস্তিকায় রাজ্যের চলতি এবং আসন্ন বেশ কয়েকটি পর্যটন প্রকল্পের কথা কথা ছাড়াও, বেশ কিছু বিখ্যাত পর্যটন স্পটের উল্লেখ রয়েছে। এসব জায়গার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ গোরকপুর শহরে যে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, সেই মন্দিরের কথা থাকলেও রাজ্যের সবচেয়ে বিখ্যাত পর্যটন স্থাপনা তাজমহলের কোনো উল্লেখই নেই। তাজমহল সম্পর্কে যোগী আদিত্যনাথের চিন্তা-ভাবনা খুব স্পষ্ট। জুন মাসে তিনি বলেছিলেন, ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে তাজমহলের কোনো সম্পর্ক নেই। সপ্তদশ শতাব্দীতে তৎকালীন মোঘল সম্রাট শাজাহান তার মৃত স্ত্রীর স্মরণে তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন।

Read more...

স্কটল্যান্ডে দুর্গোৎসব

স্কটিশ এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলি আর্টস এন্ড সাংস্কৃতিক হেরিটেজ (SABASH)-এর উদ্যোগে এবং এডিনবরা হিন্দু মন্দির ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় স্কটিশ রাজধানীর একমাত্র দুর্গাপুজো— এডিনবরা দুর্গোৎসব। জমিদারি, আধিপত্য ও প্রাচুর্য্য প্রদর্শনের সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে, ১৮ শতকের শেষে 'বারোয়ারি' আর বিংশ শতাব্দীর শুরুতে উত্তর কলকাতার সর্বজনীন দুর্গাপুজোর মাধ্যমে, বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসবের সীমানা সাধারণের জন্য উম্মুক্ত হয়েছিল। বিশ্বায়নের পরিসরে দুর্গাপুজো আজ এক বিশ্বজনীন উৎসব। ষাটের দশকের প্রথমার্ধে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম 'বিদেশী' দুর্গাপুজো। ক্রমশ তা ছড়িয়ে পড়ে বাকি পাঁচ মহাদেশেও।  ব্রিটেনে দুর্গাপুজো বেশ পুরনো ও পরিচিত হলেও, স্কটল্যান্ডে দুর্গাপুজো তুলনামূলক ভাবে নবীন। স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবরাতে প্রথম দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালে। এ বছর এডিনবরা দুর্গোৎসবের চতুর্থ বর্ষপূর্তি। স্কটিশ এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলি আর্টস এন্ড সাংস্কৃতিক হেরিটেজ (SABASH)-এর উদ্যোগে এবং এডিনবরা হিন্দু মন্দির ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় স্কটিশ রাজধানীর একমাত্র দুর্গাপুজো— এডিনবরা দুর্গোৎসব। ২০১৬-র শুরুতে গড়ে ওঠা ‘সাবাশ’ স্কটল্যান্ডের মাটিতে বাঙালি ঐতিহ্যকে বয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছে দায়িত্ব সহকারে। দুর্গাপুজোর আয়োজন ছাড়াও পয়লা বৈশাখ, রবীন্দ্র জয়ন্তী, বিজয়া সম্মেলনীতে সকলকে সমবেত হওয়ার সুযোগ করে দেয় ‘সাবাশ’।

Read more...

পাকিস্তান দেশের ৯ জায়গায় পরমাণু অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে : মার্কিন রিপোর্ট

দেশের ন’টি জায়গায় পরমাণু অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। এমনই তথ্য প্রকাশ্যে নিয়ে এল মার্কিন সংস্থা ফেডারেশন অব সায়েন্টিস্ট। তবে তার থেকেও আশঙ্কার বিষয় হল, ওই সব অস্ত্র চলে ‌যেতে পারে জঙ্গিদের হাতে। ফলে ‌যে কোনও সময় ঘটে ‌যেতে পারে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। ওই মর্কিন সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে রয়েছে ৪টি অস্ত্র ভাণ্ডার, ৩টি রয়েছে সিন্ধ প্রদেশে, বালোচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ায় একটি করে। দ্রুত পরমাণু অস্ত্রের উন্নতি করছে পাকিস্তান। ফেডারেশন অব সায়েন্টিস্টের গবেষক হানস ক্রিস্টেনসন জানিয়েছেন, নিউক্লিয়ার আর্সেনোলের দ্রত উন্নতি করছে পাকিস্তান। দেশের আরও বহু জায়গায় পরমাণু অস্ত্রের গবেষণা চালাচ্ছে তারা। উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর পাক প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খোকান আব্বাসি ভারতে পরমাণু হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি পাকিস্তানের হাতে শর্ট রেঞ্জের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। প্রয়োজন পড়লে তা ভারতের উপরে ব্যবহার করতে পিছপা হবে না ইসলামাবাদ। পকিস্তানের সেই দাবি ফেডারেশন অব সায়েন্টিস্টের সঙ্গে মিলে ‌যাচ্ছে, বলে মত কূটনৈতিক মহলের। মার্কিন গবেষকদের দাবি পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র এতটাই অসুরক্ষিত ‌তা ‌যে কোনও সময়ে জঙ্গিদের হাতে চলে ‌যেতে পারে।

‘ভারত বানিয়েছে আইআইটি আর পাকিস্তান বানিয়েছে এলইটি’

জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে আগেই পাকিস্তানকে 'টেররিস্তান' বলে আক্রমণ করে জমি তৈরি করে রেখেছিল ভারত। এবার সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জোরালো আক্রমণ শানালেন দেশটির পররাষ্ট্রন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। শনিবার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে সুষমা বলেন, ভারতে যখন একের পর এক নামী IIT,IIM,AIIMS এর মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে, তখন পাকিস্তান LeT, জইশ- এর মতো জঙ্গি সংগঠন গড়ে তুলছে।পাশাপাশি তিনি বলেন, 'আমরা লড়ছি দারিদ্র্য দূর করার জন্য। সেদিকেই আমরা সম্পূর্ণভাবে মনোনিবেশ করেছি। আর প্রতিবেশী পাকিস্তান আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেই চলেছে।' এ ছাড়াও পাকিস্তানকে নিশানায় রেখে সুষমা বলেন, ভারতের পরিচয় সারা বিশ্বে তথ্য-প্রযুক্তি শিল্পে প্রথম শ্রেণির দেশ হিসাবে। পাক রাজনীতিকদের ভাবা উচিত তাঁদের দেশ কেন সন্ত্রাসের কারখানা হিসাবে পরিচিত। পাকিস্তানের পাশাপাশি এদিন, চীনের কূটনীতিককেও একহাত নিয়ে সুষমা উল্লেখ করেন যে, যদি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐকমত্য না গড়া যা, তাহলে লড়াই চালানো কঠিন। তিনি বলেন, 'আমরা সার্বিকভাবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করেছি। আমাদের সমস্যার মধ্যে কোনো তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই।

ভারতের আবারও সাংবাদিক খুন

প্রকাশ্যে রাস্তায় কুপিয়ে খুন করা হল ভারতের ত্রিপুরার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিককে। আগরতলা থেকে কিছুটা দূরে মান্দাইয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। আদিবাসী রাজনৈতিক সংগঠন ইন্ডিজেনাস পিপলস ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরার (আইপিএফটি) অবরোধ কর্মসূচি ছিল। অশান্তির আশঙ্কায় আগে থেকেই ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছিল পুলিশ। সেখানেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে আইপিএফটি সমর্থকদের। খবর সংগ্রহে সেখানে গিয়েছিলেন সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিক। আইপিএফটি সমর্থকেরাই সাংবাদিককে রাস্তায় ফেলে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে।  ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাস্তায় ফেলে কোপানো হয় তাকে। আহত সাংবাদিককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় জনমনে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরেছে। প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠে চারপাশ। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, এই খুনের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে৷ ত্রিপুরার অর্থমন্ত্রী ভানুলাল সাহা ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, পশুর মতো আচরণ। কোনও মূল্যবোধ নেই এদের। এরা সাংবাদিকদের মেরে ফেলছে, সরকারি কর্মচারীদের তো খুন করেই। এরা রাজ্য জুড়ে দাঙ্গা লাগানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.