ত্রিপুরা ফোকাস

রাজ্য

এনসিটিই এবং শিক্ষার অধিকার আইনে শিথিল না করলে সংকটে পড়বে ত্রিপুরা : শিক্ষামন্ত্রী

রাজ্যের স্কুলগুলিতে ১২,২২২ ওপর শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। যদি আইন শিথিল না করা হয়, তাহলে হাজার হাজার ছাত্র সমস্যায় পড়বে। ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, পাশ করে গিয়েছেন, কিংবা পড়াশোনা করছেন রাজ্যের এমন সব বিএড প্রার্থীকে ধরলে বড় জোড় সংখ্যাটা ১৫০০-র মতো হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ২০ এপ্রিল বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানিয়েছিলেন। একবারের জন্য ছাড় দেওয়ার অনুরোধও করেছিলেন। এ নিয়ে রাজ্যের বিএড ট্রেনিদের শেষ দলটি স্টেট সিভিল সেক্রেটারিয়েটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। রাজ্য সরকার কেন শিক্ষক নিয়োগে নিয়মের শিথিল চাইছে, সেই প্রশ্ন তোলে বিক্ষোভকারীরা। ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক যদি নিয়মে শিথিল করেও, তবুও বিএড ট্রেনিদের স্বার্থ বিঘ্নিত হবে না। এই মুহূর্তে ত্রিপুরায় শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। যার মধ্যে ৬,৮৬৪ জন আগামি বছরে অবসর নেবেন। এনসিটিই এবং শিক্ষার অধিকার আইনে শিথিল না করলে সংকটে পড়বে ত্রিপুরা। এমনটাই বললেন ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ।

রাজ্যভাগের দাবিতে ত্রিপুরা উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা! শরিক দলের বিক্ষোভের হুমকি

ত্রিপুরার শাসক দল বিজেপির শরিক ইন্ডিজেনাস পিপলস পিপলস ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা ফের রাজ্যভাগের দাবিতে হুমকি দিয়ে বসল শাসক দলকে। ফের দাবি জানানো হয়েছে, উপজাতি মানুষদের জন্য আলাদা রাজ্যের। যা শুনে বিজেপি জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগে এমন কোনও দাবিতে সম্মতি জানানো হয়নি। পরিপ্রেক্ষিতে, আইপিএফটি নেতারা হুমকি দিয়ে বিক্ষোভ করার কথা জানিয়েছে।  তাদের দাবি পূরণ না হলে, বৃহত্তর আন্দোলনে আইপিএফটি যে নামতে চলেছে তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আইপিএফটি-র তরফে সহ সভাপতি অনন্ত দেববর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২০০৯ সাল থেকে আমরা তপশিলিদের জন্য আলাদা রাজ্যের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছি। গত জানুয়ারিতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতি দেয় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়ে আদিবাসী মানুষের আর্থ-সামাজিক, সাংষ্কৃতিক ও ভাষাগত অবস্থা খতিয়ে দেখবে। কথা ছিল কমিটি তৈরির তিন মাসের মধ্যে তা কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। তবে রিপোর্ট তো দূরের কথা, এখনও কমিটিই তৈরি করেনি কেন্দ্র। শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই নন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং কমিটি তৈরির বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ।

Read more...

রোজভ্যালি চিটফান্ড মরমলায় সিবিআই জরা করলো প্রাক্তন মন্ত্রী বিজিতাকে, আজ পালা বাদলের

রাজ্যের প্রাক্তন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বিজিতা নাথকে বুধবার টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাকে জেরা করেছে সিবিআই। পাশাপাশি বিজিতা নাথের আগরতলার বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। সূত্রে খবর, বিজিতা নাথকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সময়ের আগেই তাঁর বাড়ির কাছে হাজির হন সিবিআই-এর আধিকারিকরা। পূর্বনির্ধারিত সময় বেলা দুটোর পর তাঁরা বিজিতা নাথের বাড়িতে প্রবেশ করেন। মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েও বিজিতা নাথকে সিবিআই একবার জিজ্ঞাসাবাদ করে। সে সময় সচিবালয়ে মন্ত্রীর কক্ষে গিয়ে সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। দ্বিতীয়বারের এই জিজ্ঞাসাবাদ যথেষ্ট চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ, বিজিতা নাথ বিধানসভায় নির্বাচিত হয়ে আসার আগে রোজভ্যালির এজেন্ট হিসাবে কাজ করতেন। পরবর্তী সময়েও তিনি রোজভ্যালির হয়ে প্রচুর প্রচার করেছেন। বর্তমানে সিবিআই-এর এই জিজ্ঞাসাবাদ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Read more...

সিবিআই-এর জেরার মুখে ত্রিপুরার প্রাক্তন ২ মন্ত্রী

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় ত্রিপুরার পূর্বতন বাম সরকারের দুই প্রাক্তন মন্ত্রীকে জেরা করবে সিবিআই। আগরতলায় সিবিআই সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। প্রাক্তন মন্ত্রী বাদল চৌধুরী এবং বিজিতা নাথকে এই সপ্তাহের মধ্যেই জেরা করবে বলে ত্রিপুরা বিধানসভার স্পিকারকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দুজনেই বর্তমানে বিধানসভার সদস্য। প্রাক্তন পূর্তমন্ত্রী বাদল চৌধুরী এবং প্রাক্তন সমাজ কল্যাণমন্ত্রী বিজিতা নাথ জানিয়েছেন, রোজভ্যালি চিটফান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তারা সিবিআই-এর নোটিস পেয়েছেন। সিবিআই-এর যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর তারা দেবেন বলেও জানিয়েছেন। ২০১৭-র জুনে সিবিআই বিজিতা নাথ এবং সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দাসকে রোজভ্যালি চিটফান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।

Read more...

১৩ নভেম্বর বিজেপি বিধায়ক হিসাবে নাম লেখাবেন তৃণমূল ত্যাগী ছয় বিধায়ক

১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ত্রিপুরা বিধানসভা৷ বিধানসভা ভোটের আগে সম্ভবত এটাই ত্রয়োদশ বিধাসভার অন্তিম অধিবেশন৷ তবে অন্তিম হলেও বিজেপি এই অধিবেশন থেকে ত্রিপুরার সংসদীয় রাজনীতিতে পা রাখতে চলেছে৷ তৃণমূলত্যাগী ছয় বিধায়ক বিজেপি বিধায়ক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন৷ অধ্যক্ষ রমেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি পাঠানো হবে বলে, সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিজেপির নেতা হেমন্ত বিশ্বশর্মা৷ ইতোমধ্যে বিজেপি বিরোধী দলনেতা হিসাবে দিবাচন্দ্র রাঙ্খলকে বাছাই করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ যে ছয় বিধায়ক প্রথম বিজেপি বিধায়ক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন তাঁরা হলেন, দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, সুদীপ রায় বর্মণ, আশীষ সাহা, বিশ্ববন্ধু সেন, দিলীপ সরকার ও প্রাণজিৎ সিংহ রায়৷ তবে কংগ্রেস বিধায়ক রতন লাল নাথের ভূমিকা কি হবে এবারের বিধানসভায় সেদিকেই তাকিয়ে আছেন অনেকে৷ কেননা, বিজেপির সাথে সরাসরি সম্র্কে রেখে চলা সত্বেও কংগ্রেস রতন লাল নাথকে দল থেকে বহিষ্কার করেনি৷ ফলে নিয়ম মেনে তাঁকে কংগ্রেসের দুই বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা ও গোপাল রায়ের পাশেই বসতে হয়৷

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.