ত্রিপুরা ফোকাস

রাজ্য

আইপিএফটি সমর্থকদের হাতে খুন রাজ্যের তরুণ সাংবাদিক, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ

আইপিএফটি’র উগ্র সমর্থকদের হাতে খুন হলেন রাজ্যের তরুণ সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিক৷ বুধবার জিরানীয়া থানার অন্তর্গত মান্দাইয়ে সড়ক অবরোধের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আইপিএফটি কর্মীরা তাকে পিটিয়ে খুন করে৷ নিহত সাংবাদিকের বয়স মাত্র ২৮ বছর৷ সে স্থানীয় বৈদ্যুতিন চ্যানেল দিনরাতের সাথে যুক্ত ছিল৷ উল্লেখ্য, মঙ্গলবার গণমুক্তি পরিষদের সাথে আইপিএফটি কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত ছিল পরিস্থিতি৷ এরইমধ্যে সকাল থেকেই দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে চলছিল হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা৷ পরবর্তী সময়ে আইপিএফটি কর্মীরা জিরানীয়া-মা্ন্দাই সড়ক অবরোধ করে৷ এই সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিল শান্তনু৷ পুলিশের সাথে কিছুদূর যেতেই পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা ধা্ওয়া করে আইপিএফটি সমর্থকরা। পেছনে পড়ে যায় সাংবাদিক শান্তনু৷ আইপিএফটি কর্মীরা পেছন দিক থেকে তাকে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সংগে সংগে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে৷ এরপর সেথান থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়৷ আইপিএফটি কর্মীরা দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘন্টা যাবৎ মৃতদেহ আটকে রাখে৷ এরপর জিরানীয়ার মহকুমা শাসক পুলিশ বাহিনী নিয়ে গিয়ে শান্তুনুকে উদ্ধার করে জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসে৷ কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শান্তনু৷ 

Read more...

পিএমজিএসওয়াই প্রকল্পের কাজে মান এবং অগ্রগতি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ রাজ্য সরকার

পিএমজিএসওয়াই প্রকল্পের কাজে মান এবং অগ্রগতি নিয়ে প্রচণ্ড ক্ষুব্দ রাজ্য সরকার। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা তথা পিএমজিএসওয়াই প্রকল্পের কাজে মান এবং অগ্রগতি যথেষ্ট নিম্নমানের৷ এই সংস্থার বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উজার করে দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে সিবিআইয়ের দাবি রেখেছেন পূর্ত দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরী। ত্রিপুরাতে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব যে দুটি কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার উপর ন্যস্ত রয়েছে তার অন্যতম হলো এই এইচএসসিএল৷ রাজ্যের তিনটি জেলায় এই প্রকল্পের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷ জেলাগুলি হলো- উত্তর, ঊনকোটি ও ধলাই৷ অপর যে সংস্থাটি এই প্রকল্পের কাজের সাথে যুক্ত রয়েছে সেটি হলো এনবিসিসি৷ এছাড়া, রাজ্য সরকারের পূর্ত দপ্তরও কোথাও কোথাও বিশেষ করে সংস্কারের কাজে যুক্ত রয়েছে৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,  জিএমজিএসওয়াই প্রকল্পের কাজকর্ম ছাড়াও আরও কয়েকটি সড়কের দায়িত্ব রয়েছে এইচএসসিএল সংস্থাটির হাতে৷ ধর্মনগর-কাঞ্চনপুর রাস্তাটি এরমধ্যে অন্যতম৷ পূর্তমন্ত্রী বাদল চৌধুরীর মতে, গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সড়কটির কাজ করে চলেছে এইচএসসিএল৷

Read more...

চাকরি আটকাতে মরিয়া বিজেপি, অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর

১০,৩২৩ শিক্ষকের চাকরি ইস্যু জটিল হয়ে উঠছে। এবার এই ইস্যুতে নাম জড়ালো প্রদেশ বিজেপি সভাপতি সুনীল দেওধরের নাম। অভিযোগ, ১২ হাজার চাকরি যাতে দেয়া না যায় তারজন্য পেছন থেকে সমস্ত কলকাঠি নাড়ছে বিজেপি।শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী, এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাবরেকরকে করা একটি মেইল প্রকাশ করেছেন।সুনীল দেওধর, মেইলটি তিনি করেছিলেন তা স্বীকার করে নিয়েছেন। কিন্তু, মেইলের কোথাও ১২ হাজার চাকরি না দেয়ার সম্পর্কে কিছু বলা ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দেয়া চিঠির কথা স্বীকার করে পর্যবেক্ষক সুনীল দেওধর বলেছেন, ওই চিঠিতে কোথাও এমন লেখা নেই। মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী জানতে চেয়েছিলেন এ ব্যাপারে তাই জানিয়েছিলেন। তবে সেই চিঠি কি করে মন্ত্রী পেলেন তা নিয়ে ফৌজদারি মামলা করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।শনিবার দপ্তরের মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে দেয়া চিঠির কপি তুলে ধরে বলেন, বিজেপি ১২ হাজার বেকারের চাকরি যাতে না হয় তারজন্য চেষ্টা করছে।উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের চাকরির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। এই সকল বাতিল শিক্ষকদের পুনর্বাসন দিতে রাজ্য সরকার শিক্ষা দপ্তরে ১২ হাজার শূন্যপদ তৈরী করে।

 

 

 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অভিযোগের তিরে বিদ্ধ রজ্য সরকার

মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার শুধু নিজের ও তাঁর পার্টির স্বার্থ রক্ষায় রাজ্যের জনগণকে বিভ্রান্ত করে ক্ষমতায় টিকে থাকার উদ্দেশ্যে অনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন। রাজ্যের উন্নয়ন কর্মসূচির মন্থর গতির জন্য রাজ্য সরকার দায়ি। উন্নয়ন কাজে দীর্ঘসূত্রিতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে। এই সরকার দায়িত্বজ্ঞানহীন। কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে অহেতুক সময় নষ্ট করে চলেছে। রাজ্য সরকার দিকে এই তীব্র অভিযোগের আঙুল তুলেন, ২ দিনের রাজ্য সফরে আসা, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও প্রকল্প রূপায়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ডি ভি সদানন্দ গৌড়া। রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখমুখি হয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা যথাসময়ে ব্যয় করতে না পারার অভিযোগে বিদ্ধ করেন রাজ্য সরকারকে। তিনি আরও জানান, পরিসংখ্যান সংক্রান্ত আরও নিখুত তথ্য তুলে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ত্রিপুরার জন্য ১৫ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।শীঘ্রই এ টাকা রাজ্য সরকারকে দেয়া হবে। তিনি আরো জানান, সংসদ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৩২ কোটি টাকা সংসদ জীতেন্দ্র চৌধুরী এখনও ব্যয় করতে পারেন নি।১৫০ কোটি টাকার বেশি এমন ১১টি কেন্দ্রীয় প্রকল্পকের কাজ ত্রিপুরাতে চলছে। এরজন্য প্রস্তাবিত বরাদ্দ ধরা হয়েছিল, ৪,৪০০কোটি ৬৪লক্ষ টাকা। কিন্তু সময় মত কাজ শেষ করতে না পারার জন্য এই টাকার পরিমান দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। তিনি আগরতলা-আখাউড়া প্রস্তাবিত রেল প্রকল্পের কাজও পরিদর্শন করেন।

দিল্লির পর ত্রিপুরা, বাম ঝড়ে উড়ে গেল এভিবিপি

জেএনইউ, ডিইউইয়ের পর এবার ত্রিপুরা, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ঝড়ে উড়ে গেল গেরুয়া শিবির। জেএনইউ-এ হৈ হৈ করে জিতেছে বামেরা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেরুয়া শিবিরের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আসন ছিনিয়ে নিয়েছে কংগ্রেস সমর্থিত ছাত্র সংঠন। এবার ত্রিপুরাতেও গো হারান হারল আরএসএসের ছাত্র সংঠন। ছাত্র ভোটে ত্রিপুরায় ২২টি ছাত্র সংসদেই হার এভিভিপি'র। ভারতের ছাত্র ফেডারেশন এবং আদিবাসী ছাত্র সংগঠনের সমঝোতার সামনে কার্যত আত্মসমর্পণই করতে হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদকে। ত্রিপুরায় ২২টি ছাত্র সংসদের মোট ৭৭৮টি আসনের মধ্যে ৭৫১টি আসনেই জয়ী হয়েছে এসএফআই এবং আদিবাসী ছাত্র সংগঠনের (টিএসইউ) প্রতিনিধিরা। বাকি ২৭টি আসনেই কেবল জয়ী হয়েছে আরএসএসের ছাত্রসংগঠন।

"ত্রিপুরার ছাত্র সমাজ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে একেবারে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। সমাজে রক্তক্ষরণ যারা করছে তার বিরুদ্ধে ত্রিপুরার প্রতিটি ক্যাম্পাস গর্জে উঠেছে। আগামী দিনেও এর প্রতিফলন দেখা যাবে", বামেদের এই বিরাট জয়ে প্রতিক্রিয়া এসএফআইয়ের শীর্ষ নেতা দেবজ্যোতি দাসের। একই সঙ্গে এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক এই জয়ে ত্রিপুরার সকল ছাত্রবৃন্দদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন। মানিক সকারের ত্রিপুরায় যেভাবে গেরুয়া শিবিরকে পরাস্ত করেছে দলের ছাত্র সংগঠন তাতে শুভেচ্ছাবার্তা এসছে সিপিএমের শীর্ষস্তর থেকেও। 

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.