ত্রিপুরা ফোকাস

রাজ্য

হাসপাতালে বাধ্যতামূলক হচ্ছে জেনেরিক মেডিসিন

সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসকদের প্রেসক্রাইব করতে হবে শুধুমাত্র জেনেরিক মেডিসিন৷ এমন কি হাসপাতালগুলিতে সরকারি তরফে যে ওষুধ বিনামূল্যে রোগীদের সরবরাহ করা হয় তা এখন থেকে হবে জেনেরিক মেডিসিন৷ সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সর্বত্র৷সূত্রে খবর, এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে রোগীদের ৩৩৩টির মত ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়৷ এই ৩৩৩টি ওষুধই হবে জেনেরিক৷ এই ওষুধ ক্রয় করা হবে কেন্দ্রীয় সরকারের পাঁচটি অধিগৃহিত সংস্থার কাছ থেকে৷শুধুমাত্র কম্পোজিশন দেখিয়ে রোগীরা জেনেরিক কাউন্টার থেকে কম মূল্যের ওষুধ ক্রয় করতে পারবেন৷ এক্ষেত্রে ছোঁয়াছে কিংবা ছোঁয়াছে রোগ নয় এমন সমস্ত ক্ষেত্রে যে স্ট্যান্ডার্ড ট্রিটমেন্ট প্রটোকল রয়েছে তা জেনেরিক ফর্মুলায় মানতে চিকিৎসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এই উপলক্ষে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালে একটি করে জেনেরিক কাউন্টার খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের জন্য যে খাদ্য সরবরাহ করা হয় সেই তালিকায়ও সংশোধন নিয়ে আসতে চলেছে রাজ্য সরকার৷এই দুটি ক্ষেত্রে রাজ্য বাজেটে অতিরিক্ত আরও পাঁচ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করা হবে বলে জানা গেছে৷

মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের ভাষণ সম্প্রচার না করার অভি‌যোগ সত্য নয়, জানাল দূরদর্শন

ত্রিপুরা মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের ভাষণ সম্প্রচার না করার অভি‌যোগ উঠেছে দুরদর্শনের বিরুদ্ধে। সেই অভি‌যোগ উড়িয়ে দিল তারা। আগরতলা দূরদর্শন কেন্দ্রের প্রধান ইউ কে সাহু বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, '১৫ অগাস্ট দূরদর্শন গুরুত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেছে।২৯ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড ধরে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হয়েছে। তার মধ্যে ১২ মিনি‌‌‌‌ট ছিল মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ। সন্ধে সাত‌টায় অনুষ্ঠান‌টি সম্প্রচার করা হয়েছিল। তাতে আরও লেখা আছে, ১৬ অগাস্ট বিকেল ৪টে ৪৫ মিনি‌টে অনুষ্ঠানটি পুনঃসম্প্রচার করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান না দেখানোর ‌‌যে অভি‌যোগ উঠেছে. তা একেবারে ভুল ও মিথ্যা।' গতকাল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার অভি‌যোগ করেছিলেন,  দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিও তাঁর ভাষণ সম্প্রচার করতে অস্বীকার করেছে। ভাষণে কিছু রদবদলের শর্ত দিয়েছিল। এটা অগণতান্ত্রিক।

Read more...

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এর সাথে দেখা করলেন আইএনপিটি সভাপতি বিজয় রাঙ্খল

ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের টিটিএএডিসি হাতে অধিক ক্ষমতা চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এর সাথে দেখা করলেন আইএনপিটি সভাপতি বিজয় রাঙ্খল৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপিও তুলে দেয়া হয়েছে, আইএনপিটি-র পক্ষ থেকে৷ আইপিএফটি -র পৃথক রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে, বিজয় রাঙ্খল বলেছিলেন- পৃথক রাজ্যের দাবি অবাস্তব৷ উপজাতিদের জন্য ষষ্ট তপশিল মোতাবেক যে জেলাপরিষদ গঠিত হয়েছে তাকে শক্তিশালী করে তুলতে পারলেই সঠিক কাজ হবে৷ আইএনপিটি নেতৃত্বের সাথে খোদ রাজনাথ সিং এর সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ৷ বিদগ্ধজনেদের অভিমত, বিজেপি সরকার কোনোভাবেই রাজ্যভাগের মত স্পর্ষকাতর ইস্যুর সাথে একমত নয়৷ এডিসিকে আরও শক্তিশালী করার পক্ষেই তাদের অবস্থান৷

নজিরবিহীন বন্যার কবলে রাজধানী সহ প্রায় অর্ধেক রাজ্য

আগরতলা শহরের এমন ভয়াবহ বন্যা আগে কখনো দেখা যায় নি।দোকানপাট থেকে শুরু করে সরকারি অফিস আদালত কিংবা স্কুল সবকিছু জলের তলায়৷ প্রমাদ গুনছে প্রশাসন৷ আবহাওয়া দপ্তরসূত্রে খবর, গতকাল আজ সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে আগরতলায়৷ শুধুমাত্র শুক্রবার সকালেই বৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৬৮ মিলিমিটার৷জরুরি বৈঠকে বসেছে প্রশাসন৷ শুক্রবারও দিনভর বৃষ্টি৷ এতে ড্রেন আর রাস্তাঘাট জলে একাকার হয়ে গেছে৷ কোনো রাস্তা নেই যেখানে হাঁটু থেকে বুক পর্যন্ত জল জমে নেই৷ সরকারি অফিস, স্কুল, দোকান, বাজারহাট সবকিছুই বন্ধ৷ যেন অঘোষিত বনধ চলছে৷ বিভিন্ন এলাকায় শত শত বাড়িঘর জলের নীচে ডুবে রয়েছে৷ বাদ যায়নি সরকারি অফিস আদালত থেকে স্কুল প্রতিষ্ঠানও৷ জল নিষ্কাষণী ব্যবস্থা বিকল হয়ে গেছে। বিপদসীমার উপর দিয়ে জল প্রবাহিত হচ্ছে৷ জলস্তর ৯*৬০ এর উপর দিয়ে বইছে বলে খবর৷ শরণার্থীর ঢল শিবিরে শিবিরে। মহকুমা শাসক সদলবলে বন্যাবিধ্বস্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়িয়ে উদ্ধারকার্য তদারকি করছেন৷ এই পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠকে বসেছে প্রশাসন৷ উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে নৌকা এবং টিএসআর জওয়ানদের৷

রাজ্যে কোনও মিছিল, মিটিং-এর ছবি ট্রাফিক পোস্ট থেকে তোলা যাবে না, ট্রাফিক পুলিশ সুপারের নির্দেশ

রাজ্যে কোনও মিছিল, মিটিং-এর ছবি ট্রাফিক পোস্ট থেকে তোলা যাবে না। সূত্রে খবর, এই নয়া ফরমান জারী করেছেন, ট্রাফিক পুলিশ সুপার রতিরঞ্জন দেবনাথ। ট্রাফিক পুলিশ সুপারের নির্দেশে ক'দিন আগে রাজধানী আগরতলায় একটি রাজনৈতিক মিছিলের ছবি চিত্র-সাংবাদিকরা ট্রাফিক পোস্ট থেকে নিতে গেলে বাধার সম্মুখীন হন। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশেরা পোস্ট থেকে ছবি তুলতে দেন নি।কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের বক্তব্য ছিল, সুপারের নির্দেশ, পোস্টে উঠে ছবি তোলা যাবে না। ট্রাফিক পোস্ট গুলি উঁঁচু হওয়ার ফলে সেখান থেকে মিছিল, মিটিং-এর ছবি ভাল করে তোলা যায়। বহুবছর ধরে চিত্র-সাংবাদিকরা সেখান থেকে ছবি তুলে গেছেন।ট্রাফিক পুলিশ সুপারারের নয়া নির্দেশে বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের চিত্র-সাংবাদিকরা। রাজ্য ও রাজধানীর পথে যান নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থতার ইতিহাস বয়ে বেড়ানো ট্রাফিক দপ্তরের সুপারের নয়া ফরমান চিত্তাকর্ষক। রাজধানীর ফুটপাত, পথ সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত যেভাবে যানবাহন ও পণ্যবাহী গাড়ি বেদখল করে রাখে তা দূর করতে ট্রাফিক দপ্তরে কোন কার্যকারী গতিবিধি কিন্তু আজ পর্যন্ত লক্ষ্যনীয় নয়। পার্কিং স্পট ছাড়া যত্রতত্র পার্কিং ও পণ্য উঠানামায় রাজধানীর পথজুড়ে জনসাধারণের হেঁটেচলাই দায়, সেদিকে নজর দেবার সময় হয়নি ট্রাফিক দপ্তরের। চিত্র-সাংবাদিকদের মিছিল-মিটিংয়ের ছবি তোলাতে বাধা দান এখন প্রধান কর্তব্য হয়ে উঠেছে করিৎকর্মা ট্রাফিক দপ্তরের। রাজধানীর নাগরিক মহল থেকে আমজনতা পথচারী, যানচালক রাজ্য ট্রাফিক দপ্তরের অর্জিত কু-গুণের বর্ণনা করেন প্রতিদিন। রাজপথের নিয়ন্ত্রণে কার্যকারী কোনও সুপরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহণে ট্রাফিক দপ্তরের অক্ষমতা ও অনীহা বারবার প্রকট হলেও আজ পর্যন্ত কোনও সুরাহা হয় নি।ট্রাফিক দপ্তরের কর্ম-সংস্কৃতি নিয়ে প্রচুর ক্ষোভ স্বয়ং ট্রাফিক দপ্তর পুলিশেই। প্রাত্যহিক যান দুর্ঘটনা প্রতিহত করতে ব্যর্থ ট্রাফিক দপ্তরের কাজকর্ম এখন হাসির খোড়াক হয়ে দাঁড়িয়েছে জনগনের কাছে। ক্ষুব্ধ জনগনের স্পষ্ট বক্তব্য, প্রতিদিন যানচালক, পন্যবাহী গাড়ি, বাজার এলাকার পথে পণ্যবাহী গাড়ি বেআইনীভাবে পার্কিং করে রাখা থেকে তোল্লা আদায়ে ট্রাফিক ব্যস্ত। ট্রাফিক দপ্তরের বেআইনী কাজকর্মের জন্যই রাজপথে জ্যাম ও যান চলাচল ব্যহত হচ্ছে। ট্রাফিক দপ্তরে কিন্তু কোনও হেলদোল নেই।

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.