ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

রাজ্য

রাজ্যে কোনও মিছিল, মিটিং-এর ছবি ট্রাফিক পোস্ট থেকে তোলা যাবে না, ট্রাফিক পুলিশ সুপারের নির্দেশ

রাজ্যে কোনও মিছিল, মিটিং-এর ছবি ট্রাফিক পোস্ট থেকে তোলা যাবে না। সূত্রে খবর, এই নয়া ফরমান জারী করেছেন, ট্রাফিক পুলিশ সুপার রতিরঞ্জন দেবনাথ। ট্রাফিক পুলিশ সুপারের নির্দেশে ক'দিন আগে রাজধানী আগরতলায় একটি রাজনৈতিক মিছিলের ছবি চিত্র-সাংবাদিকরা ট্রাফিক পোস্ট থেকে নিতে গেলে বাধার সম্মুখীন হন। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশেরা পোস্ট থেকে ছবি তুলতে দেন নি।কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের বক্তব্য ছিল, সুপারের নির্দেশ, পোস্টে উঠে ছবি তোলা যাবে না। ট্রাফিক পোস্ট গুলি উঁঁচু হওয়ার ফলে সেখান থেকে মিছিল, মিটিং-এর ছবি ভাল করে তোলা যায়। বহুবছর ধরে চিত্র-সাংবাদিকরা সেখান থেকে ছবি তুলে গেছেন।ট্রাফিক পুলিশ সুপারারের নয়া নির্দেশে বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের চিত্র-সাংবাদিকরা। রাজ্য ও রাজধানীর পথে যান নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থতার ইতিহাস বয়ে বেড়ানো ট্রাফিক দপ্তরের সুপারের নয়া ফরমান চিত্তাকর্ষক। রাজধানীর ফুটপাত, পথ সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত যেভাবে যানবাহন ও পণ্যবাহী গাড়ি বেদখল করে রাখে তা দূর করতে ট্রাফিক দপ্তরে কোন কার্যকারী গতিবিধি কিন্তু আজ পর্যন্ত লক্ষ্যনীয় নয়। পার্কিং স্পট ছাড়া যত্রতত্র পার্কিং ও পণ্য উঠানামায় রাজধানীর পথজুড়ে জনসাধারণের হেঁটেচলাই দায়, সেদিকে নজর দেবার সময় হয়নি ট্রাফিক দপ্তরের। চিত্র-সাংবাদিকদের মিছিল-মিটিংয়ের ছবি তোলাতে বাধা দান এখন প্রধান কর্তব্য হয়ে উঠেছে করিৎকর্মা ট্রাফিক দপ্তরের। রাজধানীর নাগরিক মহল থেকে আমজনতা পথচারী, যানচালক রাজ্য ট্রাফিক দপ্তরের অর্জিত কু-গুণের বর্ণনা করেন প্রতিদিন। রাজপথের নিয়ন্ত্রণে কার্যকারী কোনও সুপরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহণে ট্রাফিক দপ্তরের অক্ষমতা ও অনীহা বারবার প্রকট হলেও আজ পর্যন্ত কোনও সুরাহা হয় নি।ট্রাফিক দপ্তরের কর্ম-সংস্কৃতি নিয়ে প্রচুর ক্ষোভ স্বয়ং ট্রাফিক দপ্তর পুলিশেই। প্রাত্যহিক যান দুর্ঘটনা প্রতিহত করতে ব্যর্থ ট্রাফিক দপ্তরের কাজকর্ম এখন হাসির খোড়াক হয়ে দাঁড়িয়েছে জনগনের কাছে। ক্ষুব্ধ জনগনের স্পষ্ট বক্তব্য, প্রতিদিন যানচালক, পন্যবাহী গাড়ি, বাজার এলাকার পথে পণ্যবাহী গাড়ি বেআইনীভাবে পার্কিং করে রাখা থেকে তোল্লা আদায়ে ট্রাফিক ব্যস্ত। ট্রাফিক দপ্তরের বেআইনী কাজকর্মের জন্যই রাজপথে জ্যাম ও যান চলাচল ব্যহত হচ্ছে। ট্রাফিক দপ্তরে কিন্তু কোনও হেলদোল নেই।

৬ বিধায়ক যোগ দিলেন বিজেপিতে

সুদীপ রায় বর্মন সহ বিধানসভার ৬ বিরোধী বিধায়ক, সোমবার, আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন বিজেপিতে।বিজেপি রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেব ও  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বিধায়কদের বরণ করে নিয়েছেন। বিজেপিতে যোগ দেয়ার আগে আস্তাবল ময়দান থেকে একটি দীর্ঘ মিছিল শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে রবীন্দ্র ভবনের সামনে মিলিত হয়। ছয় বিধায়ককে বরণ করে নিতে মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, বিজেপি সভাপতি বিপ্লব দেব, প্রদেশ শাখার পর্যবেক্ষক সুনীল দেওধর, আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা প্রমুখ। ছয় বিধায়ক বিজেপি যোগ দেয়ার ফলে বিধানসভায় বিজেপি আনুষ্টানিকভাবে পা রাখলো বলা চলে। আগামী দু'একদিনের মধ্যে বিজেপি বিধানসভার অধ্যক্ষ'র কাছে নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে দিতে পারে।

৯৯২ কোটি টাকার ঔষধ কেলেঙ্কারীতে রাজ্যের অনেক নেতা মন্ত্রীকে জেলে যেতে হতে পারে : সুবল

বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক, ৯৯২ কোটি টাকার ঔষধ কেলেঙ্কারীতে রাজ্যের অনেক নেতা মন্ত্রীকে জেলে যেতে হতে পারে বলে তোপ দাগলেন। তিনি আরও বলেন, ৪৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাবে। রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনও চাইছে মানুষ। সত্যিকারের পরিবর্তন হবে এবার। দাবি করেন, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্য থেকে সন্ত্রাস, অত্যাচার চিরতরে বন্ধ করে দেয়া হবে। বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যের উন্নয়নে পুরোপুরি ব্যর্থ বলে বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ সভাপতি দাবি করেন।

এদিকে সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি দলে যোগ দিতে চলেছেন ছয় তৃণমূল বিধায়ক৷ রাজ্যে তৃণমূলের প্রাসঙ্গিকতা ফুরিয়ে যেতেই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন ছয় বিধায়ক৷যদি তাই হয় তবে সুদীপ রায় বর্মণরাই হবেন ত্রিপুরা বিধানসভার প্রথম বিজেপি বিধায়ক৷কংগ্রেস বিধায়ক রতনলাল নাথ কবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন রাজনৈতিক মহল৷

 

 

 

সর্বশিক্ষা মিশনের শিক্ষকরা নিয়মিতকরণের দাবিতে আমরণ আনশনে

সর্বশিক্ষা মিশনের শিক্ষকরা আজ থেকে আমরণ অনশন আন্দোলন শুরু করেছে আগরতলা ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে। ১ আগষ্টের আগে নিয়মিত করা না হলে এদিন থেকেই আমরণ অনশনের হুমকি দিয়েছে রাজ্য সরকারের বিদ্যালয় শিক্ষাদপ্তরের অধীনস্থ সর্বশিক্ষার শিক্ষকরা৷ অভিযোগ, তারা রাজ্য সরকারের বঞ্চনার শিকার। অ্যাসোশিয়েসনের সম্পাদক আরো বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চনা দূর করে শিক্ষকদের নিয়মিত করতে আগ্রহী।দেশের অনেক রাজ্যে সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিত করা হয়েছে৷ ত্রিপুরা সরকারও নিয়মিত শিক্ষক দেখিয়েই কেন্দ্র থেকে টাকা আনছে৷ তা সত্বেও নিয়মিত করা হচ্ছে না৷ শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী বলেন, দেশের আটটি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে৷ কয়েকটি ছোট রাজ্যের কথা বাদ দিলে কোথাও সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিত করা হয়নি৷ কোথাও শূন্যপদে সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিযুক্তি দিয়েছে, কোথাও ডেপুটেশনে নেওয়া হয়েছে৷

Read more...

৩০ জুলাই শুরু হচ্ছে সিপিআইএম রাজ্য কমিটির দুই দিনের বৈঠক

৩০ জুলাই শুরু হচ্ছে সিপিআইএম রাজ্য কমিটির দুই দিনের বৈঠক। গত ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়েছিল দলের পলিটব্যুরো বৈঠক। এরপর ২৫ এবং ২৬ জুলাই অনুষ্টিত হয়েছিল কেন্দ্রীয় কমিটির দুইদিনের বৈঠক। পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকেও ত্রিপুরার পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা হয়েছে। অভিমত, বিজেপি ও আরএসএস আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ত্রিপুরার বামফ্রন্ট সরকারকে অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য সমস্ত রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উপজাতি ও জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরী করার জন্য চেষ্টা করছে। ২০১৮ ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে সিপিআইএম কিভাবে বিরোধী বিজেপিকে মোকাবিলা করবে তা নিয়ে একটি রিপোর্ট এবারের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে পেশ করা হয়েছে।  এই রিপোর্টে সন্তোষ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় কমিটি আশা প্রকাশ করেছে ত্রিপুরার মানুষ আগামী ভোটে পুনরায় বামফ্রন্ট সরকারকে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে। ৩০ জুলাই রাজ্যকমিটির বৈঠকে প্রাক্ নির্বাচনি পরিস্থিতি নিয়ে দলের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে৷

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.