ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

রাজ্য

বিবাহিত ও সন্তানের পিতা, ৬৩ বছর বয়স্ক একজন জনপ্রতিনিধির অবৈধ প্রেম ও বিবাহ নিয়ে ক্ষোভ সোস্যাল মিডিয়ায়

বিবাহিত ও সন্তানের পিতা। ৬৩ বছর বয়স্ক একজন জনপ্রতিনিধি চম্পাহাওর থানাধীন এক যুবতীর সাথে অবৈধ প্রেম ও বিবাহ সেরে ফেললেন। এ নিয়ে সোরগোল বেঁধে যায় সোস্যাল মিডিয়ায়।চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে খৌয়াই মহকুমা জুড়ে। সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় ষাট উত্তীর্ণ জনপ্রতিনিধির অবৈধ কাজকর্ম। জনসাধারণের কাছে আগেই গ্রহণযোগ্যতা খুঁইয়ে ফেলা এই জনপ্রতিনিধির রহস্যময় নিন্দনীয় কাজকর্ম এখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। বৈধ প্রেম ও বিয়ে নিয়ে দলীয় স্তরে নেতারা ব্যাপক অস্ততিতে পড়েছে। প্রায় ৫ বছর জনপ্রতিনিধি ও করঙ্গিছড়ার এই যুবতীর অবৈধ প্রেম চলছিল।এই ঘটনা ঘিরে প্রবীণ নাগরিক মহল ও মহকুমা জুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ লক্ষ্যণীয়।

আইপিএফটি জাতীয় সড়ক, রেলপথ অবরোধ তুলে নিয়ে পিছু হটলো

আইপিএফটি’র তিপ্রাল্যান্ডের দাবি রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে পাঠিয়ে দিতেই অবরোধ আন্দোলন থেকে সরে যেতে পথ খুঁজে পেল এনসি-র দল। পেছনের রাস্তা ধরা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিলো না আন্দোলনের নেতৃত্বদের। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন এই এলাকায় আগামী ৪৮ ঘন্টার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে৷শুক্রবার সকাল থেকে অসম-আগরতলা জাতীয় সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানা যায়। ত্রিপুরার মত একটি ছোট্ট রাজ্যকে ভাগ করে আরেকটা তিপ্রাল্যান্ড গঠন করা কখনোই সম্ভব না একথা জেনেও নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব জাহির করতে আইপিএফটি অবরোধের নাটক করেছে বলে একসময়ের আন্দোলনের সাথীরাও এই আন্দোলনকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি৷ রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক দল এ আন্দোলনকে সমর্থন জানায় নি। দিল্লিতে পাঠানো রাজ্যপালের চিঠি হাতে পেয়েই আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিতে আলোচনা শুরু করেন আইপিএফটি নেতৃত্ব৷

Read more...

অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে কি না আজ সিদ্ধান্ত নেবে আইপিএফটি

পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে গত ১০ জুলাই সোমবার থেকে শুরু হয়েছিল আইপিএফটির অনির্দিষ্টকালীন আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধ।অবরোধ, অবরোধ বিরোধী বনধ, বনধ বিরোধী পাল্টা পিকেটিং-য়ে উত্তপ্ত রাজ্যের পরিবেশ। স্তব্ধ হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা।গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আলোচনা করার কথা থাকলেও আইপিএফটির সাথে কথা বলেনি। আইপিএফটির প্রতিনিধিদল রাজ্যপালের সাথে কথা বলেছেন। একই দিনে দুইবার।রাজ্যপাল  আইপিএফটি নেতৃত্বকে জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করতে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন। রাজ্যপালের আবেদন মেনে জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে কি না তা নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে আলোচনা করে বুধবার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইপিএফটি-র শীর্ষনেতৃত্ব।

Read more...

প্রদেশ কংগ্রেস ১৯ জুলাই ১২ ঘন্টার ত্রিপুরা বনধের ডাক দিয়েছে

টানা নয় দিন জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে রেখেছে আইপিএফটি-র রাজ্য ভাগের আন্দোলন কর্মসূচি। এতে রাজ্যের জনজীবন বিপর্যস্ত। আন্দোলনকারীদের সাথে সরকারের বৈঠকে কোনও সুরাহা হয় নি। প্রদেশ কংগ্রেস জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ মুক্ত করতে রাজ্য সরকারকে সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিল ঘোষণা দিয়ে। কিন্তু জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ মুক্ত না হওয়ায় প্রদেশ কংগ্রেস ১৯ জুলাই ১২ ঘন্টা ত্রিপুরা বনধের ডাক দিয়েছে। সিপিআইএম কংগ্রেসের ডাকা বনধের তীব্র ভাষায় বিরোধীতা করে জানায়, আইপিএফটি-র অবরোধ আন্দোলনে রাজ্যের জনজীবন বিপর্যস্ত, কংগ্রেসের ডাকা বন্ধ জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অভিযোগ করেন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার আইপিএফটি-র অবরোধ আন্দোলন প্রত্যাহার করার জন্য কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সেজন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রদেশ কংগ্রেস ১৯ জুলাই ১২ ঘন্টার ত্রিপুরা বনধের ডাক দিয়েছে। এদিকে প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকা বনধ-কে প্রহসন বলে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, সিপিআইএম-র নির্দেশেই কংগ্রেস বনধ ডেকেছে। কংগ্রেসের ডাকা বনধের বিরুদ্ধে বিজেপি আগামীকাল পাল্টা পিকেটিং করবে বলে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন। বিজেপি-র রাজ্য প্রভারী, সর্বভারতীয় সম্পাদক সুনীল দেওধর মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন। তিনি আরো বলেন, আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ মুক্ত করা না হলে বিজেপি কঠোর পদক্ষেপ নেবে। অবরোধে রাজ্যের জনজীবন গত ১০ দিন ধরে এমনিতেই চরম বিপর্যস্ত, রাজনৈতিক বাকবিতন্ডায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ত্রিপুরা থেকে ৬৩ ভোট

জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন বিধায়ক ও লোকসভার সাংসদরা৷ কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন জনগণের পরোক্ষ ভোটে৷ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ত্রিপুরা থেকে ৫১ জন বাম বিধায়কের ভোট পেয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মীরাকুমার৷ সেই সাথে ত্রিপুরা বিধানসভার তিনজনের মধ্যে দুইজন কংগ্রেস বিধায়কের ভোটও পেয়েছেন মীরাকুমার৷ এনডিএ প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ পেলেন সাত বিধায়কের সমর্থন৷ ত্রিপুরাতে লোকসভার ২জন এবং রাজ্যসভার ১জন মিলে তিন সাংসদের ভোটমূল্য ২১২৪৷ বিধায়কদের মোট ভোটমূল্য ১৫৬০৷ অর্থাৎ বিধানসভা ও সংসদ মিলে ত্রিপুরা থেকে মোট ভোটমূল্য দাঁড়ায় ৩৬৮৪৷ এরমধ্যে ৭জন বিধায়কের ভোট বাদ দিলে মোট ৩৫০২ ভোট পেয়েছেন মীরাকুমার৷ তুলনায় অনেক পিছিয়ে থাকলেও এনডিএ প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ পেয়েছেন মাত্র ১৮২ ভোট৷ রাজ্যের তিন সাংসদ দিল্লিতেই ভোট দিয়েছেন৷ অন্যদিকে কলকাতায় অবস্থান করায় সেখানে ভোট দিয়েছেন রাজ্যের বিধায়ক তথা অধ্যক্ষ রমেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ৷দেশের বিধায়ক ও সাংসদের মোট সংখ্যা ৪,৮৯৬ জন ও তাদের ভোটমূল্য হল ১,০৯৮,৯০৩৷ এরমধ্যে ৫০,৪৯,৪৫২ ভোটমূল্য যিনি পাবেন তিনিই বিজয়ী বলে ঘোষিত হবেন৷

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.