ত্রিপুরা ফোকাস

রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব রয়েছে, ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আনার

রাজ্যের বিধানসভা ভোট এগিয়ে আনা হতে পারে৷ রাজ্য নির্বাচন দফতর সূত্রে খবর, প্রাক-নির্বাচনী যাবতীয় কর্মপ্রক্রিয়ার গতি আনার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন৷ নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব রয়েছে নির্বাচন এগিয়ে আনার৷ যদিও এই বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি৷ সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৮ এর ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন করাতেই হবে৷ অন্যথায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে৷ এজন্য নির্বাচন এগিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে করিয়ে নেবার প্রস্তাব রয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে৷ জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজ্য সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন হবে৷ আবার রাজ্যসরকারও এই প্রস্তাব করতে পারে৷ রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল৷

১২ হাজার অশিক্ষকের শূণ্যপদে আপাততঃ কোনো নিয়োগ করা যাবে না, স্থগিতাদেশ জারি করলো সুপ্রিম কোর্ট

১২ হাজার অশিক্ষকের শূণ্যপদে আপাততঃ কোনো নিয়োগ করা যাবে না বলে স্থগিতাদেশ জারি করলো সুপ্রিম কোর্ট৷ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২৪ অক্টোবর৷ ১০,৩২৩ জন শিক্ষককে পুর্ননিযুক্তি দিতে রাজ্য সরকার ১৩ হাজার শূণ্যপদ তৈরি করেছিল৷ এরমধ্যে ১ হাজার শূণ্যপদ তৈরি করা হয়েছিল সমাজশিক্ষা দপ্তরের অধীনে৷ বাকি ১২ হাজার শূণ্যপদ তৈরি করা হয়েছিল বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধীনে৷ শিক্ষা অধিকার আইন চালু হবার ফলে এই সমস্ত বাতিল শিক্ষকদের আর শিক্ষক পদে নিযুক্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না৷ তাই ছাঁটাই শিক্ষকদের পুনর্বাসন দিতে রাজ্য সরকার বিদ্যালয় শিক্ষাদপ্তরের অধীনেই ১২ হাজার অশিক্ষকের শূণ্যপদ তৈরি করেছিল৷ পদগুলি ছিল- একাডেমিক কাউন্সিলরের ১২০০টি, স্টুডেন্ট কাউন্সিলরের ৩৪০০টি, স্কুল লাইব্রেরী এসিস্ট্যান্টের ১৫০০টি, হোস্টেল ওয়ার্ডেন-এর ৩০০টি ও স্কুল এসিস্ট্যান্ট-এর ৫৬০০টি৷ এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ জারি করায় জোর ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ, পরবর্তী নির্দেশিকা না দেওয়া পর্যন্ত ১২ হাজার শূণ্যপদে নিযুক্তির জন্য কোনো অফার ছাড়া যাবে না৷

ত্রিপুরায় দুর্গাপুজো মিশ্র সংস্কৃতির প্রতীক

শ্যামল ভট্টাচার্য ।। আগামীবছর ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যকে অশান্ত করার একটা সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা চলছে। রাজ্যে সম্প্রীতির উৎসব দুর্গাপুজোর মুখে প্রথমে আইপিএফটি- র বিক্ষোভ সমাবেশ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা, আর তারপর পুলিশের আইজি আইপিএস অফিসারকে কোপানোর প্রচেষ্টা ইত্যাদির মাধ্যমে ত্রিপুরার আবহমান সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করার প্রচেষ্টা চলছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। রাজ্য সরকার কি এই অশনি সংকেত টের পাচ্ছে না? রাজ্যের শান্তিপ্রিয় বিভিন্ন জনজাতির মানুষ চায় যে সরকার কঠোর হাতে এই দুষ্কৃতিদের দমন করুক।

Read more...

সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক হত্যাকান্ডে কোনও সিবিআই তদন্তের দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল, দিনরাত চ্যানেলের সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিকের৷ এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে চাপান উতোর৷ অভিযুক্ত দল আইপিএফটি এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছে৷ এই দাবিতে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে দুই দিনের জন্য ধর্ণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ আপাততঃ এডিসির সদর দপ্তর খুমুলুঙ-এ ১৪৪ ধারা জারি চলছে৷ এজন্য খুমুলুঙ থেকে ধর্ণা সড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে টাকারজলায়৷ যদিও পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে৷ তদন্তকারী অফিসার ইতোপূর্বে ধৃত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে৷ এই দুই জন হলো- শ্যা্মল দেববর্মা ও বিকাশ দেববর্মা৷ তাদের জেরা করেই তৃতীয় অভিযুক্ত হিসাবে হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত সন্দেহে আরও এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ তার নাম শচিন দেববর্মা৷  অভিযুক্ত যুবককে আদালতে তোলা হলে তদন্তকারী অফিসার টিআই প্যারেড করানোর আর্জি জানান৷শচিন দেববর্মাকে টিআই প্যারেড করানো হবে৷ এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে আসা হতে পারে বলে সরকার পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন৷

সাংবাদিকদের একটা বড় অংশও এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করছেন৷ যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক হত্যাকান্ডে কোনও সিবিআই তদন্তের দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে৷

সাংবাদিক খুনের ঘটনায় জটিল হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি, বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

সাংবাদিক শান্তনু খুনের ঘটনায় জটিল হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনায় উপজাতি রাজনৈতিক দল আইপিএফটিকে দায়ি করা হলেও, এবার খোদ আইপিএফটি এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করছে। এমনকি, যতক্ষন পর্যন্ত না সেই খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্ত দেয়া হবে, ততক্ষন পর্যন্ত এডিসির সদর দপ্তর খুমূলুঙ-এ অনিদৃষ্ট কালের জন্য ধর্ণা চালিয়ে যাবার কথা ঘোষণা করেছে তারা। পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় যুক্ত মূল অপরাধীরা এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে বলেই মনে করছেন বুদ্ধিজীবী ও বিদগ্ধ মহল। ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করার দাবিতে সোচ্চার সাংবাদিক সংগঠন। দিল্লীতেও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদ সংগঠিত হয়। ঘটনার তিনদিন পরে আইপিএফটির পক্ষ থেকে এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে ন্যস্ত করার দাবি উঠতেই ঘটনার গতি প্রকৃতি বদলে যেতে শুরু করেছে।সাংবাদিক খুনের ঘটনায়, রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবাদিক সংগঠন আইপিএফটিকে দোষী করে বিবৃতি দিলেও আইপিএফটির এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখন অনেকেই সন্দিহান হয়ে পরেন। এখন সকলের দাবি, সাংবাদিক শান্তনু-র খুনের ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হোক। এ নিয়ে রাজ্য সরকার এই ইস্যুতে কি অবস্থান নেয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সকলে।

Read more...

ভিডিও গ্যালারী

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.